সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বচনে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রার্থী নির্ধারনে টাকার খেলা হয়েছে। তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে সদ্য বিএনপি থেকে যোগ দেওয়া এক ব্যক্তিকে। এতে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত কর্মীরা হতাশ হয়েছেন। টাকার বিনিময়ে মনোনয়ন বানিজ্য করায় মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন পরীকিআষত ত্যাগী নেতাকর্মীরা।
অবিলম্বে ওই প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করে তৃণমূলের মতামতকে প্রাধান্য দেওয়ার দাবি জানানো হয়। অন্যতায় শক্তিশালী আওয়ামী লীগের ঘাটিতে জামায়াত শিবিরের আস্তানায় পরিণত হবে।
সোমবার সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব বক্তব্য তুলে ধরা হয়। কালারুকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উদ্যোগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিন।
সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করা হয়, ছাতক উপজেলার কালারুকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাটি। দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিতে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে যাচ্ছেন নেতাকর্মীরা। যখন তারা আওয়ামী লীগকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ করতে যাচ্ছেন ঠিক তখনই নানা নাটকীয়তার মধ্য দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী করা হয়েছে বিএনপির রাজনীতি থেকে সদ্য যোগদানকারী অদুদ আলমকে।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয় তার বাবা, চাচা এবং মামারা জামায়াতের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। অনেকেই পদবীধারী নেতা। আওয়ামী লীগকে ধবংস করতে কৌশলে জামায়াত বিএনপির চর ঢুকানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অদুদ আলম এ বছরের ২৮ জানুয়ারি বিএনপির রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নেন। ১২ ফেব্র“য়ারি তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। তিনি বিএনপির রাজনীতি থেকে অব্যাহতি নিয়ে আওয়ামী লীগে যোগদান করায় এলাকার লোকজন অনেক খুশী হন। কিন্তু তার রাজনীতির পেছনে অন্য কারন লুকিয়ে ছিল তার প্রমাণ মিলে যখন নির্বাচনী বোর্ড সদ্য যোগদানকারী কোন ব্যক্তিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা কবির উদ্দিন লালা অথবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আফতাব উদ্দিনকে মনোনয়ন দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কালারুকা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের আমিরুল হক, রফিকুল ইসলাম, আব্দুল মুকিত, শফিকুল ইসলাম, আকল আলী, মনির মিয়া, কাজী আব্দুশ সাকুর, আরশ আলী, মখলিছুর রহমান, আনহার আলী, জালাল উদ্দিন, রিয়াছদ আলী, আমিনুর রশীদ, ইজ্জাদুর রহমান, ওলিউর রহমান, আব্দুল হালীম শিপন, রশীদ আলী আব্দুশ শাকুর প্রমূখ।