দিরাই প্রতিনিধি | ১০ মার্চ, ২০১৬
সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় পুলিশের হাতে আটক ২ আসামী হাত কড়াসহ পলায়ন করেছে। তারা হল কালীনগর গ্রামের নুরুল হকের ছেলে তরিকুল (২৫)ও ফয়ছল(১৮)।
বুধবার রাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরূষ ওয়ার্ডে পুলিশ প্রহরায় চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় তারা পালিয়ে যায়। সংঘষে হতাহতের ঘটনায় গ্রেফতারের ভয়ে পুরুষ শুন্য হয়ে পড়েছে কালীনগর গ্রাম। নিহতদের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনের আহাজারিতে এলাকার পরিবেশে বিরাজ করছে নিরব নিস্তবতা।
দিরাই সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার ছুরত আলম দাবি করছেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে ২ আসামীকে এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
দিরাই থানা পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার কালীনগর গ্রামে সংঘর্ষে আহতদের দুপুর ১ টার দিকে জরুরী বিভাগে নিয়ে আসা হয়। এর মধ্যে ৩ জনকে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ৫ জনকে সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন কর্তব্য চিকিৎসক।
বুধবার রাতে নুরুল ইসলামের ২ ছেলে ফয়সল মিয়া ও তরিকুল ইসলাম পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পুরুষ ওয়ার্ড থেকে হাতকড়াসহ পালিয়ে যায়।
দিরাই থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, বুধবার কালিনগর গ্রামে সংঘর্ষে নিহতের ঘটনায় কোনো পক্ষই এখন পর্যন্ত মামলা দায়ের করেনি। এ ঘটনায় দিরাই হাসপাতালে ভর্তি ৩ জনসহ সিলেটে চিকিৎসাধীন আরও ৫ জনকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। গতকাল বিকেলে হাত কড়াসহ পালিয়ে যাওয়া আসামী দুই ভাইকে জগদল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রাম থেকে এলাকাবাসীর সহায়তায় আটক করা হয় ।
উল্লেখ্য শালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত অমান্য করাকে কেন্দ্র করে বুধবার বেলা ১১টার দিকে গ্রামের হোসেন আহমদ ও মফিল আলী লন্ডনীর লোকজনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে এ হতাহতের ঘটঁনা ঘটে।