মাধবপুর প্রতিনিধি | ২৮ এপ্রিল, ২০১৬
প্রাকৃতি সৌন্দর্যের অপূর্ব লিলাভুমি সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। এর পাশেই সাতছড়ি চা বাগান। কয়েক বছর আগেও চা বাগানে ছিল বড় বড় ছায়াবৃক্ষ আর চায়ের সবুজ পাতায় ভরপুর। প্রকৃতি প্রেমিরা সাতছড়ি চা বাগান এলাকায় ঘুরতে গেলে এক নজর ঘুরে আসত চা বাগান। চা বাগানের আশপাশ ঘিরে গড়ে উঠেছিল পিকনিক স্পষ্ট।
কিন্তু সম্প্রতি চা বাগানের শর্ত ভঙ্গ করে চায়ের বদলে সবজি চাষ শুরু করার ফলে বদলে গেছে চা বাগানের দৃশ্যপট। সবুজে আচ্ছাদিত চা গাছগুলোও যেন হারিয়ে গেছে। এখন বাগানের সেকশন ধ্বংস করে তৈরী করা হচ্ছে কৃষি জমি। তৈরীকৃত কৃষি জমিগুলো দেওয়া হচ্ছে গোপন উপ-ইজারা।
বাগান কর্তৃপক্ষ কে ম্যানেজ করে বাইরের লোকজন সাতছড়ি চা বাগানের ১নং সেকশনের প্রায় অর্ধশত বিঘা জমিতে চা গাছ ধ্বংস করে সবজি চাষের জমি তৈরী করছে। প্রতি বিঘা জমি গোপনে অর্থের বিনিময়ে ইজারা দিচ্ছে বাগান কর্তৃপক্ষ। নীতিমালা অনুযায়ী চা বাগানের ভিতর অন্য কোনো ফসল করার নিয়ম না থাকলেও বাগান কর্তৃপক্ষ নীতিমালা ভঙ্গ করে এ কার্যক্রম চালিয়ে আসলেও স্থানীয় প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এতে করে বাগান কর্তৃপক্ষ আরো বেপরোয়া হয়ে পড়েছে।
এ ব্যাপারে সাতছড়ি চা বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক মনির উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, টি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চা শ্রমিকদের ঘর তৈরী করার জন্য কিছু জমি বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। ঘর তৈরীর সরঞ্জামাদি না থাকায় বরাদ্ধপ্রাপ্তরা তাদের জমিগুলোতে চাষাবাদ উপযোগী করে তুলতে পারে।