বিশ্বনাথ প্রতিনিধি | ২৫ মে, ২০১৬
অ্যাসিল্যাণ্ড ও তহসিলদারের অপসারণ দাবি করেছেন সিলেটের বিশ্বনাথ নতুন বাজারের ক্ষুদ্র-ব্যবসায়ীরা। দোকানের মালামাল, ঘুষের টাকা ফেরতসহ নানা অভিযোগ এনে তাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
একই সঙ্গে সিলেটের জেলা প্রশাসক বরাবরেও একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন তরা। বুধবার (২৫মে) স্থানীয় বাসিয়া ব্রিজে মানববন্ধন শেষে জেলা প্রশাসক বরাবরে স্মারকলিপি দেয়া হয়।
‘বিশ্বনাথ নতুন বাজার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও সর্বস্থরের জনসাধারণ’র ব্যানারে আয়োজিত মানবন্ধনে আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিশ্বনাথ থেকে এসিল্যাণ্ড আবদুল হক ও তহসিলদার অনিল সিংহকে অপসারণের দাবি করা হয়। তানা হলে আরও কঠোর কর্মসূচির ডাক দেওয়া হবে বলে মানববন্ধনে হুশিয়ারি দেন বক্তারা। মানবন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ব্যবসায়ী জোনাব আলী, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবুল হোসেন, জমসেদ আলী ও বদরুল আলম।
স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, অ্যাসিল্যান্ড আব্দুল হক ও তহসিলদার অনিল সিংহ দোকান প্রতি ১লাখ টাকাহারে মোট ৪৯লাখ টাকা উৎকোচ দাবি করেন। ব্যবসায়ীরা টাকা দিতে অপরাগত প্রকাশ করলে অধিকাংশ অবৈধ দোকানপাঠ থকলেও ওই ৫টি দোকানঘর উচ্ছেদ করা হয়।
তবে ব্যবসায়ীদের আনিত সকল অভিযোগ মিথ্যা দাবি করে অ্যাসিল্যান্ড আব্দুল হক বলেন, নদীর চরে নতুন অবৈধ দখলকৃত ৫টি দোকানঘর গত মঙ্গলবার আইনি প্রক্রিয়ায় উচ্ছেদ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ব্যবসায়ীরা এ মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন।
জানাগেছে, বিশ্বনাথ বাসিয়া নদীর চর দখল করে অসংখ্য দোকানপাঠ নির্মাণ করা হয়েছে। ৭/৮ বছর যাবৎ নতুনবাজারের বাসিয়া নদীর চরে একসাথে চারটি ভিটা দখল করে টিনসেডের ঘর নির্মান করেন শ্রমিকলীগ নেতা ময়না মিয়া, জুনাব আলী, সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা বদরুল আহমদ ও যুবলীগ নেতা শামীম আহমদ। এর কিছুদিন পর যুবলীগ নেতা শামীম আহমদ তার দখলকৃত বিক্রি করেন ভাঙ্গাড়ি ব্যবসায়ী জমসেদ আলীর নিকট। সম্প্রতি ঝড়ের কবলে পড়ে তাদের ওই স্থাপনাগুলো ভেঙ্গে গেলে পাঁকা পিলার দিয়ে টিনসেডের সংস্কার কাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে মঙ্গলবার (২৪মে দুপুরে) ওই ৪টি স্থাপনা ও শামীম আহমদের বোনজামাই জয়নাল আবেদীনের দোকানও ভেঙ্গে দেয় প্রশাসন। অভিযানে নেতৃত্বদেন উপজেলা সহকারী কমশিনার (ভূমি) অ্যাসিল্যাণ্ড আব্দুল হক।