নিজস্ব প্রতিবেদক | ৩০ মে, ২০১৬
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদে জাহানারা বেগম শ্যামার নিয়োগ ও উপজেলা পরিষদের প্যানেল গঠনাদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিত করেছেন উচ্চ আদালত।
সেই সাথে উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদে জাহানারা বেগম শ্যামার নিয়োগ ও পরিষদের প্যানেল গঠনের আদেশকে কেন বে-আইনি ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা সংশ্লিষ্টদের ৩ সপ্তাহের মধ্যে জানতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন এবং বিচারপতি এ.কে.এম শহীদুল হকের দ্বৈত বেঞ্চ গত ১৮ মে এ আদেশ দেন।
এ ব্যাপারে সোমবার (৩০ মে) জাহানারা বেগম শ্যামা সিলেটটুডে টুয়েন্টিফোরকে জানান, আমি এ ব্যাপারে শুধু শুনেছি মাত্র। এখন পর্যন্ত আমার কাছে লিখিত কোন অর্ডার আসে নি।
এর আগে গত ৫ মে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জুলিয়া মঈন স্বাক্ষরিত এক আদেশে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদে জাহানারা বেগম শ্যামাকে নিয়োগ ও উপজেলা পরিষদের প্যানের গঠনের নির্দেশ দেন।
পরবর্তীতে গত ১৪ মে উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুর রহমান রোমান উচ্চ আদালতে রীট আবেদন করেন। যার প্রেক্ষিতে ১৮ মে হাইকোর্ট উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান পদে জাহানারা বেগম শ্যামার নিয়োগ ও উপজেলা পরিষদের প্যানেল গঠনাদেশ ৩ মাসের জন্য স্থগিতের নির্দেশ দেন।
এ ব্যাপারে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শহিদুর রহমান রোমান জানান, ২০০৯ সালের ২৯ জুন উপজেলা পরিষদের ১৮৮তম মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা পরিষদের প্যানেল গঠন করা হয়। তখন সর্বসম্মতিক্রমে আমার নাম চেয়ারম্যান-১ হিসাবে অনুমোদন করা হয়। সেই থেকে আমি প্যানেল চেয়ারম্যান ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসাবে বিভিন্ন সময় দায়িত্ব পালন করে আসছি।
তিনি আরো জানান সর্বশেষ গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদের ২০৫তম সাধারণ সভায় প্যানেল চেয়ারম্যান-১ হিসাবে সভাপতিত্ব করি। কিছুদিন পূর্বে জাহানারা বেগম শ্যামাকে উপজেলা পরিষদের অস্থায়ী চেয়ারম্যান হিসাবে নিয়োগ ও প্যানেল গঠন করা হলে আমি অধিকার প্রতিষ্ঠায় আইনের আশ্রয় নেই।
উল্লেখ্য, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ আল হোসাইনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হওয়ায় গত ১০ এপ্রিল স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করে।
বর্তমানে সাইফুল্লাহ আল হোসাইন কারাগারে রয়েছেন।