নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ জুন, ২০১৬
সিলেট নগরীর টিলাগড়ে সড়ক দুর্ঘটনায় দু'জন নিহতের ঘটনায় প্রাইভেট কারের মালিক ও চালক মো. মিনুকে একমাত্র আসামী করে মামলা হয়েছে।
মামলার বাদি রনজিৎ রায় জানান, শনিবার বিকালে নগরীর শাহপরাণ থানায় মো. মিনুকে আসামী করে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। রনজিৎ দুর্ঘটনায় নিহত স্কলার্সহোমের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরিজিত রায়ের বড় ভাই। মামলা নম্বর (০৯(০৬)১৬)। এরআগে পুলিশ মিনুকে আসামী করে মামলা নিতে অনীহা প্রকাশ করে বলে অভিযোগ করেছিলেন রনজিৎ।
মামলার অভিযোগে রনজিৎ রায় উল্লেখ করেন, গত ৭ জুন সকালে তার ভাই অরিজিত রায় (৪৮) ও ভাইয়ের স্ত্রী সুমিতা দাস (৪২) এবং তাদের একমাত্র মেয়ে অরিনিমা রায় স্নেহা (১২) সিএনজি অটোরিকশাযোগে শাহী ঈদগাহস্থ স্কলার্সহোম স্কুলের দিকে আসছিলেন। এসময় টিলাগড়স্থ শাহ মাদানী শাহী ঈদগাহের সামনে বিপরীত দিকে থেকে প্রাইভেট কার (সিলেট-গ-১১ ১১ ৪৭) সিএনজি অটোরিকশাটিকে সামনে থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অরিজিতে মৃত্যু হয়। আর সুমিতাকে মুমূর্ষ অবস্থায় মেডিকেলে প্রেরণ করা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এসময় স্নেহাও গুরুতর আহত হয়। সে এখনও চিকিৎসাধীন আছে।
আরও পড়ুন : গাড়ির মালিককে আটকের পর ছেড়ে দিলো পুলিশ
রনজিৎ রায় দাবি করেন, গাড়ির চালক শিবগঞ্জ সাদিপুরের মৌচাক ২০/এক্স নম্বর বাসার বাসিন্দা মো. মিনু ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালনার কারণে এই দুৃর্ঘটনাটি ঘটেছে। তিনি কার চালক মোহাম্মদ মিনুর ব্যাপারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
শাহপরান থানার ওসি মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত মঙ্গলবার (৭ জুন) সকালে টিলাগড়ের মাদানীবাগ এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের স্কলার্স হোম (শাহী ঈদগাহ) এর প্রশাসনিক কর্মকর্তা অরজিৎ রায় (৫০) ও তাঁর স্ত্রী সিলেটের দক্ষিন সুরমাস্থ মহালক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা সুমিতা দাস (৪৫) নিহত হন। এতে আহত হয় তাদের স্কুল পড়ুয়া মেয়ে অরুণিমা রায় স্নেহা (১২)। প্রাইভেটকার ও অটোরিকশার সংর্ঘষে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন।
দুর্ঘটনার দিনই মো. মিনুকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয় পুলিশ। যদিও পুলিশের দাবি, তাকে আটকই করা হয় নি।