বড়লেখা প্রতিনিধি : | ১৯ জুন, ২০১৬
বড়লেখায় তুচ্ছ ঘটনায় দুপক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এদের পাঁচ জনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুপক্ষের উত্তেজিত জনতা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রায় আধা ঘণ্টা তাণ্ডব চালিয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর করেছে। এসময় কর্তব্যরত চিকিৎসক, নার্সসহ কর্মচারীরা আতংকিত হয়ে হাসপাতালের অফিস কক্ষে আশ্রয় নেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রোববার বেলা আড়াইটায় পৌরশহরের আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টারে ভিক্ষুকের উৎপাত নিয়ে মার্কেটের সারুফ কসমেটিক্সেও প্রোপ্রাইটার সারুফ আহমদ ও গাজিটেকা গ্রামের এক ব্যক্তির মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এর জের ধরে গাজিটেকার যুবক মিছবাহ উদ্দিনের নেতৃত্বে সংঘবদ্ধ যুবকরা ওই ব্যবসায়ীর দোকানে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এসময় আব্দুল আলী ট্রেড সেন্টারের মালিক পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এর জের ধরে শহরের হাজী মেমোরিয়েল মার্কেট প্রাঙ্গণে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গাজিটেকার ছাদ উদ্দিন, শামীম আহমদ, আশুক আহমদ, কেছরীগুল গ্রামের সারুফ আহমদ, সাবুল আহমদ, সাইফুল ইসলাম, বদরুল ইসলাম, ইউনুছ আহমদসহ উভয়পক্ষের ১৫ ব্যক্তি আহত হন। আহত সাতজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে পাঁচ জনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে স্থানান্তর করা হয়।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডা. আহমদ হোসেন জানান, আহত সাত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হলে এদের পাঁচজনকে সিলেটে রেফার করা হয়েছে। দুপক্ষই হাসপাতালের জরুরী বিভাগে মারামারি শুরু করলে কর্তব্যরতরা আতংকিত হয়ে অফিস কক্ষে আশ্রয় নেন। তাদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় হাসপাতালের কিছু আসবাবপত্রের ক্ষতি হয়েছে।