নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৮ মার্চ, ২০১৫
সিলেটে সৎ মা’কে হত্যার দায়ে ছেলেকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। সেই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানাও করা হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত ফয়জুর রহমান (২২) জৈন্তাপুর উপজেলার পানিছড়া গ্রামের আব্দুল খালিকের পুত্র। তবে রায় ঘোষণার সময় পলাতক ছিলেন তিনি।
বুধবার দুপুরে সিলেট জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক মো. মঈদুল ইসলাম আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মামলার বরাত দিয়ে আদালত সূত্র জানায়- প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ায় দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে ছিদ্দিকা বেগমকে ঘরে তোলেন জৈন্তাপুর উপজেলার পানিছড়া গ্রামের তাহির আলীর পুত্র ভ্যান চালক মো. আব্দুল খালিক।
২০০৯ সালের ১২ মার্চ রাতে ফয়জুরের সাথে সৎ মা ছিদ্দিকা বেগমের কথাকাটাকাটি হয়। এ সময় মাকে হত্যার হুমকি দেয় সে। পরদিন ১৩ মার্চ সকাল ৭টার দিকে পার্শ্ববর্তী কান্দিগ্রাম হতে বাড়ি আসার পথে ফয়জুর রহমান দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে সিদ্দিকা বেগমকে। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান সিদ্দিকা বেগম। খুনের পর পালিয়ে যায় ফয়জুর।
পরে পুত্রকে আসামি করে জৈন্তাপুর থানায় একটি হত্যা মামলা (নং-৬(৩)০৯) দায়ের করেন আব্দুল খালিক। তদন্ত শেষে ওই বছরের ২৮ জুন উপপরিদর্শক (এসআই) মো. বাদশাহ আলম ফয়জুরকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (স্পেশাল পিপি) অ্যাডভোকেট নওশাদ আহমদ চৌধুরী বলেন- ২০১১ সালের ১৭ এপ্রিল এ মামলার বিচারকার্য শুরু হয় এবং ১১ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার আসামি ফয়জুর রহমানের অনুপস্থিতিতে তাকে দোষী সাব্যস্থ করে ৩০২ ধারায় মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট মো. ফরিদ আহমদ।