বানিয়াচং প্রতিনিধি | ০৬ জুলাই, ২০১৬
এবারের ঈদে ভারত থেকে গরু আমদানী না হওয়ায় এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে মাংসের খুচরা বাজারে। কয়েক সপ্তাহেই কেজি প্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে গরুর মাংস। একইভাবে বেড়েছে খাসি আর ব্রয়লার মুরগীর দাম। গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে বেড়েছে সবধরনের শাকসবজি আর মাছের দামও। ক্রেতাদের অভিযোগ, ছুটির দিন আর বিভিন্ন উৎসবের দিনে সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দেন বিক্রেতারা।
বাজার প্রেক্ষাপট বিবেচনায় সাধারণত অন্যসময় খুব বেশী একটা ওঠা-নামা করতে দেখা যায়না মাংসের দরদাম। কিন্তু এবার সেই মাংসের বাজারেই লেগেছে বাড়তি দামের ছোঁয়া। ঈদ এলেই একধরনের মৌসুমী গরুর মাংস বিক্রেতারা তাদের ইচ্ছেমতো মাংসের দাম নির্ধারণ করেন।
বানিয়াচংয়ে কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা প্রতি কেজি।এর মধ্যে শুধু মাংস নিলে ৬০০ টাকা আর হাড্ডিসহ মাংস নিলে ৫০০ টাকা। খাসির মাংস প্রতি কেজি সাড়ে ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এবারের ঈদে পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে গরু আমদানী না হওয়ায় এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে বাজারে। স্বস্তি নেই মাছের বাজারেও। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা মাছের দাম কিছুটা কম থাকলেও তা আগের সপ্তাহের তুলনায় বেশী। আর নদ-নদী, হাওর থেকে আহরণ করা মাছের দাম এককথায় ত্রেতাদের নাগালের বাইরেই বলা যায়।
একই অবস্থা শাক-সবজির বাজারেও। প্রতিটি সবজির দামই কেজিতে ৩ থেকে ৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে পটল ৪০, ঢেড়স ৫০, আকারভেদে লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। বেড়েছে কাঁচামরিচ, মিষ্টি কুমড়া আর জালি কুমড়ার দামও।
ক্রেতাদের অভিযোগ, প্রশাসনের যথাযথ মনিটরিং না থাকায় ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দমতো দামে মাংস বিক্রি করছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সন্দ্বীপ সিংহ জানান, বাজার নিয়ন্ত্রণে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা এসব অনিয়মের সাথে জড়িত। সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অচিরেই অভিযান জোরদার করা হবে।