বড়লেখা প্রতিনিধি | ২৫ জুলাই, ২০১৬
মৌলভীবাজারের বড়লেখায় দক্ষিণ আফ্রিকায় পাঠানোর নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ এনে স্ত্রীর পিতৃপক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক যুবক।
ঘটনার সুবিচার চেয়ে স্ত্রীর বড় ভাই ও বোনের বিরুদ্ধে গত ২৬ জুন বড়লেখা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে উপজেলার চন্ডিনগর গ্রামের বাবর হোসেন দুলাল এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-সিআর ১৪৭/১৬ইং। মামলার আসামীরা হচ্ছেন-সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ধারা বহর কদম রসূল গ্রামের মখলিছ আলীর ছেলে ফয়ছল আহমদ ও মেয়ে নাজমিন বেগম।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের বাসিন্দা বাবর হোসেন দুলালের সাথে ২০১৪ সালে বিয়ে হয় সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার মখলিছ আলীর মেয়ে রওশন আরা বেগমের। বিয়ের প্রায় দু’মাস পরে বাবর সৌদি আরবে চলে যান। যাওয়ার প্রায় দেড়মাস পর বাবরের স্ত্রীর আপন বড়ভাই ফয়ছল আহমদ ও বোন নাজমিন বেগম দক্ষিণ আফ্রিকা পাঠানোর প্রলোভন দেখান তাকে।
গ্রামের সহজ সরল যুবক স্ত্রীর বড় ভাই ও বোনের কথায় বিশ্বাস করে বিভিন্ন মেয়াদে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা দেন। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে শ্বশুর বাড়ির লোকজন বড় অংকের আরো টাকা হাতিয়ে নেন বলে অভিযোগ বাবরের। টাকা নেওয়ার বছর অতিক্রম হলেও ভিসা হাতে আসেনি বাবরের। এতে তিনি ভিসা অথবা টাকার জন্য যোগাযোগ করেন। কিন্তু শ্বশুর বাড়ির লোকজন টালবাহানা করতে থাকেন। চলতি বছরের ২৩ জুন স্ত্রীর আপন বড়ভাই ফয়ছল আহমদ ও বোন নাজমিনের কাছে ভিসার কথা বললে তারা ভিসা ও লেনদের কথা অস্বীকার করে। এক পর্যায়ে তারা বাবরকে হত্যা ও বিভিন্ন মামলায় জড়ানোর ভয়ভীতি দেখান।
এ বিষয়ে প্রতারণার শিকার বাবর হোসেন দুলাল বলেন, ‘শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমাকে ফাঁদে ফেলে আমার প্রবাসে কষ্টার্জিত টাকাগুলো আত্মসাৎ করেছে। আমার স্ত্রীকেও শ্বশুর বাড়ির লোকজন আটকে রেখেছে। টাকা চাওয়ায় লেনদের কথা অস্বীকার করে তারা আমাকে হত্যা ও মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দিচ্ছে। এখন আমি নি:স্ব হয়ে পথে বসার উপক্রম। উপায়ন্তর না দেখে আমি ন্যায় বিচারের জন্য আদালতের আশ্রয় নিয়েছে।’