Sylhet Today 24 PRINT

ব্যবসায়ী মামুন হত্যা: ২২ দিনেও ধরা পড়েনি ছাত্রলীগ নেতা সোলেমান

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজারের ব্যবসায়ী করিম বক্স মামুন হত্যার প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সোলেমানকে এখনো গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। আলোচিত এই হত্যাকান্ডের ২২ দিন পেরিয়ে গেলেও ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে গেছে সোলেমান।

যদিও সিলেট জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি (বহিস্কৃত) সোলেমান হোসেন চৌধুরীসহ মামুন হত্যা মামলার সকল আসামীদের গ্রেপ্তার ও হত্যাকান্ডের বিচার দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচী পালন করে আসছেন। বুধবার এই দাবিতে তারা গণস্বাক্ষর কর্মসূচী পালন করেন। এরআগে তারা ধর্মঘট, অবস্থান কর্মসূচী, সড়ক অবরোধ, স্মারকলিপিসহ নানা কর্মসূচী পালন করেন। এতো আন্দোলন সত্ত্বেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি প্রধান অভিযুক্ত।

গত ১৬ আগষ্ট জিন্দাবাজারে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সামনে ছুরিকাঘাত করা হয় মামুনকে। পরদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জানা যায়, ওইদিন জিন্দাবাজারের এ্যালিগেন্ট শপিং সিটির পার্কিংয়ের সামনে নিজের মোটরসাইকেল রাখেন ছাত্রলীগ নেতা সোলেমান চৌধুরী। মোটরসাইকেলটি পার্কিং নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে মার্কেটের গার্ডকে মারধর করেন ছাত্রলীগ নেতা সোলেমান। এসময় ব্যবসায়ী মামুন বাঁধা দিলে সোলেমানের নেতৃত্বে মামুনের উপার হামলায় চালায় ক্যাডারার। ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত ব্যবসায়ী মামুনকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে পরদিন ভোরে মারা যান তিনি।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী মামুনের পিতা আনোয়ার বক্স বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামী করা হয় সিলেট জেলা ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সহ-সভাপতি (বহিস্কৃত) সোলেমান হোসেন চৌধুরী, তার সহযোগী জাবেদ আহমদসহ অজ্ঞাতনামা পাঁচ জনকে।

২০ আগষ্ট রাতে পুলিশ তারেক নামক একজনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি হত্যাকান্ডের সময় একটি মার্কেটের সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে তাকে শনাক্ত করা হয়েছে। এছাড়া হত্যাকান্ডের সময় ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও জব্দ করা হয়। ২৫ আগষ্ট মামলাটি মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ ব্যাপারে গোয়েন্দা পুলিশের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.