ওসমানীনগর প্রতিনিধি | ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
নিহত ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান
সিলেটের ওসমানীনগরে মাওলানা আব্দুর রহমান (৪৫) নামের এক ইমামকে হাত-পা বেঁধে গলায় ফাঁস লাগিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত ইমাম উপজেলার সাদিপুর ইউপির দক্ষিণ মোবারকপুর (আন্দারকোণা ) জামে মসজিদের ইমাম ছিলেন।
নিহত মাওলানা আব্দুর রহমান সিলেটের মোগলাবাজার থানার সোনাপুর গ্রামের আব্দুল বারির ছেলে।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে মুসল্লিরা স্থানীয় আন্দারকোনা মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়ে ইমামের কক্ষের দরজা খোলা দেখেন। মুসল্লিরা কক্ষে ঢুকে ইমামের হাত-পা বাঁধা ঝুলন্ত লাশ দেখে ওসমানীনগর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে।
নিহত ইমামের বড় ভাই জইন উদ্দিন দাবী করেন, আমার ভাইকে হত্যা করে গলায় ফাঁস লাগিয়ে রাখা হয়েছে। আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার চাই। এ ব্যাপারে আমরা হত্যা মামলা করবো।
ওসমানীনগর থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী ইমাম খুনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নিহত ইমামের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ধারনা করা হচ্ছে তার হাত-পা বঁেধে হত্যা করে নিজ শয়ন কক্ষে লাশ ঝুলিয়ে রেখেছে দুর্বৃত্তরা। তবে কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা তদন্তের পর জানা যাবে। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
এদিকে উপজেলার একই ইউনিয়নের দক্ষিণ কালনীচর গ্রামের প্রবাসী ইয়াকুব আলীর ছেলে রহমতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র নাজমুল ইসলামের (১২) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘরের বাথরুমে কাপড় রাখার স্টেন্ডের সাথে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্কুল ছাত্র নাজমুলের মৃত্যুর ঘটনাটি রহস্যজনক বলে তার স্বজনসহ একাধিক সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ জানায়, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের গদিয়াচর রোডের একটি বাসা থেকে ফখরুল ইসলাম (২২) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, ফখরুল বিষ পানে আত্মহত্যা করেছেন।