বানিয়াচং প্রতিনিধি | ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ভোগ্যপণ্যের বাজারে মসলা জাতীয় পণ্যের দাম ততই বেসামাল হয়ে উঠেছে।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে আদার দাম কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা,জিরার দাম কেজিতে ৩০ টাকা ও এলাচের দাম কেজিতে ২৫ টাকা বেড়েছে। কোরবানির ঈদে সাধারণত মসলা জাতীয় পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। বাজারে চাহিদা স্বাভাবিক থাকলেও সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে মসলার ব্যবসায়ীরা এসব পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ ভোক্তাদের।
দাম বৃদ্ধির কথা খুচরা ব্যবসায়ীরা জানালেও পাইকারি দোকানিরা তা অস্বীকার করেছেন। বানিয়াচংয়ের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে-কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সবধরনের মসলাই নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতাদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে মসলার দাম বাড়িয়ে বাজার অস্থিতিশীল করায় চাপ পড়ছে ভোক্তাদের কাঁধে।
আমদানির উপর নির্ভরশীল বেশিরভাগ মসলা পাইকারি ও খুচরা বাজারে দামের তফাৎ অনেক বেশি। ফলে বাজারে মসলার দাম বাড়ছে হুহু করে।
ব্যবসায়ীরা বলেছেন, কোরবানির আগের দিন পর্যন্ত মসলার দাম আরও বাড়তে পারে। তবে কেন বাড়তে পারে এর কোন সদুত্তর নেই । দেখা যায়, মসলা ব্যবসায়ীরা সারাবছরের লাভ এক কোরবানির ঈদেই তুলে নেন। দাম বাড়ার কথা খুচরা ব্যবসায়ীরা জানালেও পাইকারি দোকানিরা তা মানতে নারাজ।
বানিয়াচং ভোক্তা অধিকার পরিষদের সভাপতি সাহিবুর রহমান জানান, অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পণ্যের দাম তাদের ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে নেয়। ফলে এর চাপ পড়ছে আমাদের মতো সাধারণ ক্রেতাদের উপর। যারা নির্দিষ্ট দামের চেয়ে বেশি টাকায় পণ্য বিক্রি করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।