নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৬ এপ্রিল, ২০১৫
সিলেট নগরীর টিলাগড়ে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রলীগের বিবাদমান দুই গ্রুপ। বুধবার রাত সাড়ে ১১টায় দুই গ্রুেপর মধ্যে বন্দুক যুদ্ধের ঘটনা ঘটে।
এসময় এক পক্ষ আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রনজিত সরকারের বাসায় হামলা চালায় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা।। বাসার সামনের একটি গাড়িতেও অগ্নিসংযোগ করে তারা।
মঙ্গলবার এমসি কলেজে বর্ষবরন অনুষ্ঠানে ছাত্রলীগের দু'পক্ষের সংষর্ষের জের ধরে বৃহস্পতিবার সংঘর্ষ বাঁধে ও রনজিত সরকারের বাসায় হামলা চালানো হয়।
বর্ষবরণ অনুষ্ঠান চলাকালে এমসি কলেজে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিরণ মাহমুদ নিপু ও এমসি কলেজ ছাত্রলীগের জাহাঙ্গির গ্রুপের নেতাকর্মীদের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বুধবার সংঘর্ষে বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। তবে সংঘর্ষে আহত হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার বাংলা নববর্ষের দিন এমসি কলেজে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে নিপু ও জাহাঙ্গীর গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জের ধরে বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিপু গ্রুপের ছাত্রলীগ ক্যাডাররা টিলাগড় পয়েন্টে গুলি ছুঁড়ে জাহাঙ্গীর গ্রুপের নেতাকর্মীদের খুঁজতে থাকে। এসময় তারা বেশ কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়।
এর কিছুক্ষণ পরই জাহাঙ্গির গ্রুপের নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে পাল্টা গুলি ছুঁড়তে থাকে। উভয় পক্ষের মধ্যে প্রায় আধঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধকালে টিলাগড় পয়েন্টস্থ ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় দোকানপাট।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে শাহপরান থানার ওসি সাখাওয়াত হােসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। সাখাওয়াত হোসেন, সংঘর্ষের সত্যতা স্বীকার করে জানান, তিনি এখন ঘটনাস্থলে আছেন। পরে বিস্তারিত জানাবেন।
এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক রনজিত সরকারের সাথে যোগােযাগের চেষ্ঠা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি।