নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
সিলেটসহ সারাদেশে আজ (বুধবার) অনুষ্ঠিত হয় জেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সারাদেশের মতো সিলেটেও সকাল ৯টা থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ।
নিরুত্তাপ এ ভোটগ্রহণের জন্য প্রয়োজনের অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়, যাকে বাড়াবাড়ি বলে অভিহিত করেছেন সিলেটের সচেতন নাগরিকরা। তেমনি একটি কেন্দ্র ছিল সিলেটের মদনমোহন কলেজ।
সিলেট জেলার ১৪৩৭জন ভোটারের মধ্যে মদন মোহন কলেজ কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ছিল ১০৪, যার মধ্যে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন ১০৩ জন।
এ কেন্দ্রের নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে ওই কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন র্যাব-পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৩০০ সদস্য! এছাড়াও কলেজের মুল সড়কটিতে যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত করার কারণে জনভোগান্তিরও সৃষ্টি হয়।
এত বেশি পরিমাণ আইনশৃ্ঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন বিষয়টি স্বাভাবিক বলে মন্তব্য করেন সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার জেদান আল মুসা। তিনি বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে পরিমাণ পুলিশ, আনসার ও র্যাব সদস্য প্রয়োজন, সে পরিমাণই মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও শুধু কেন্দ্র নয়, একটি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তার আশপাশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টেও নিরাপত্তা বাহিনীর প্রয়োজন ছিল।
তবে এ ব্যাপারটাকে ’বাড়াবাড়ি’ বলে মন্তব্য করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর সিলেট জেলা সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, মদনমোহন কলেজ ক্যাম্পাসে নির্ধারিত ভোটকেন্দ্রের মাত্র ১০৪ জন ভোটারের জন্য এত বেশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন বাড়াবাড়ি। এতে সাধারণ নাগরিক থেকে শুরু করে ভোটারদের মনেও ভীতির সঞ্চার করেছে বলে জানান তিনি।
এছাড়াও নির্বাচনের জন্য মদনমোহন কলেজের সামনের রিকাবীবাজার-লামাবাজার রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হয়, ফলে জনভোগান্তিও পৌছায় চরমে।