বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি | ১৫ জানুয়ারী, ২০১৭
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, দেশের কোন গ্রাম বিদ্যুতের বাইরে থাকবে না। ২০২০ সালের মধ্যে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়া হবে। দেশে এখন ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। কয়েক বছরের মধ্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাবে । দেশের বিদ্যুৎ খাতের টাকা বিদ্যুতের উৎপাদনে ব্যয় না করে, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ২০ হাজার কোটি টাকা বিদেশ পাচার করেছে। বিদ্যুৎ, ইন্টারনেটসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা পেতে এখন আর কাউকে শহরে যেতে হয় না। নিজ ঘরে বসে বিশ্বের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা যাচ্ছে- এটিও এ সরকারের অন্যতম সফলতা।
রোববার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিয়ানীবাজার উপজেলার শেওলা ইউনিয়নের দত্তগ্রাম-ঢেউনগর এলাকার শুভ গ্রাম বিদ্যুৎতায়নের মাধ্যমে ২০০ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, দেশ উন্নয়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত বিদ্যুৎ উৎপাদনসহ সামগ্রিকভাবে শিল্পোন্নয়ন নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। দেশে যাতে শিল্প উন্নয়ন ঘটতে না পারে সেজন্য ষড়যন্ত্রকারী দেশী ও বিদেশী একটি চক্র প্রথমে বিদ্যুৎ খাতের টুঁটি চেপে ধরতে চায়। এজন্য পরিবেশ বিপর্যয়ের ধোয়া তুলে কয়লাভিত্তিক পাওয়ার প্লান্টের বিরুদ্ধে চক্রটি একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে। নানা অজুহাতে দেশে শিল্প বিকাশের লাগাম টেনে ধরা হচ্ছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনে যাতে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে না পারে, সে অপচেষ্টা অব্যাহত আছে।
অনুষ্ঠানে শেওলা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক তারেক আহমদের পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিব মনিয়া, পল্লী বিদ্যুতের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী মাহবুবুল আলম, শেওলা ইউপির চেয়ারম্যান জহুর উদ্দিন, পল্লী বিদ্যুতের বিয়ানীবাজার শাখার ডিজিএম আজিজুর রহমান সরকার, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারি রেজিস্টার আব্দুল খালিক, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস মাকসুদুল ইসলাম আউয়াল, পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুস শুক্কুর, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য এড. আব্বাছ উদ্দিন, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আবদুল কুদ্দুছ টিটু, পল্লী বিদ্যুৎ পরিচালক শফিউল ইসলাম, আওয়ামী লীগ নেতা মাসুদ হোসেন খান প্রমুখ।