Sylhet Today 24 PRINT

সুষ্ঠু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বাধা আসলে দ্রুত ব্যবস্থা : ওসমানীনগরে নির্বাচন কমিশনার

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেছেন, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনে আমরা অঙ্গিকারবদ্ধ। এক্ষেত্রে কোনো ব্যতয় ঘটবে না। সুষ্ঠ নির্বাচনের ক্ষেত্রে কোনো বাধা আসলে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সোমবার বিকেলে সিলেটের ওসমানীনগরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন নির্বাচন কমিশনার। রোববার এই উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের দুই প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে একজন ও সোমবার ভোরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরো একজন মারা যান। এই সংঘের্ষ আহত হন আরো অর্ধশতাধিক।

সংঘর্ষে হতাহতের খবরে সোমবার ওসমানী নগরে আসেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। বিকেলে তিনি উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রার্থী, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে মতবিনিময় করেন।

থানা কমপ্লেক্সে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় রফিকুল ইসলাম সংশ্লিস্টদের অবাধ, নিরপেক্ষ ও দুর্ঘটনাবিহীন নির্বাচন আয়োজনের নির্দেশনা দেন। এ ব্যাপারে প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগীতা কামনা করেন তিনি। মতবিনিময়কালে সকল প্রার্থী ও রাজনৈতিক নেতারা সুষ্ঠ নির্বাচনে সব ধরণের সহযোগীতার প্রতশ্রিুতি দেন।

মতবিনিময়ের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, নির্বাচনী সংর্ঘষে নিহতের খবর পেয়ে আমি ছুটে এসেছি। এ ধরণের ঘটনা মোটেই কাম্য নয়। আগামীতে যাতে এ ধরণের ঘটনা না ঘটে এ ব্যাপারে সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।

এদিকে, রোববারের সংঘর্ষের ঘটনায় সোমবার ভোরে সুহেল মিয়া (৩৫) নামের আরেকজন মারা গেছেন। সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত সুহেল উপজেলার দক্ষিণ কালনীচর গ্রামের মাহমুদ মিয়ার ছেলে। এ নিয়ে রোববারের সংঘর্ষে দুজন মারা গেলেন। রোববার জগন্নাথপুর উপজেলার উত্তর কালনীচর গ্রামের শরফ উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলাম নামের আরো একজনের মৃত্যু হয়।

রোববার উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার হাতানিপাড়া গ্রামে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মো. আতাউর রহমান ও বিদ্রোহী প্রার্থী আখতারুজ্জামান চৌধুরী জগলুর সমর্থকদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।

এ ঘটনায় আহতরা সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও জগন্নাথপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

তবে এই সংষর্ঘ রাজনৈতিক বা নির্বাচন কেন্দ্রীক নয় দাবি করে ওসমানীনগর থানার ওসি আব্দুল আউয়াল চৌধুরী বলেছেন, গোষ্ঠিগত বিরোধ থেকেই এ সংঘর্ষ বাঁধে। এ ঘটনায় ৬ জনকে আটক করা হয়েছে এবং পুরো উপজেলায় নির্বাচনের পূর্বে বৈধ ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলে জানান তিনি।

উল্লেখ্য, আগামী ৬ মার্চ সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.