নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৫ মার্চ, ২০১৭
বগুড়া হাসপাতালে রোগীর স্বজনকে মারধর করার ঘটনায় চার ইন্টার্ন চিকিৎসককে শাস্তি দেয়ার প্রতিবাদে ২য় দিনের মতো সিলেটের সবকটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মবিরতি অব্যাহত রেখেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
হঠাৎ করে পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই কর্মবিরতি ডাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন রোগীরা। এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নর্থইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।
ওসমানী হাসপাতালের পঞ্চম তলায় তিনটি শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা গেছে, চিকিৎসা নিতে আসা শিশুরা মেঝের মধ্যে অতিরিক্ত বিছনা পেতে গাদা-গাদি করে শুয়ে আছে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হাসপাতালে না থাকায় একজন চিকিৎসক আর দুজন নার্স দিয়ে ওই ওয়ার্ডের চিকিৎসা নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
এছাড়া কর্মবিরতির অংশ হিসেবে রোববার দুপুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গেটে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করছে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
মানববন্ধন করেছে সিলেটের বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে ‘আপা’ ডাকায় সিরাজগঞ্জের কোনাগাতির আলাউদ্দিন সরকার নামের এক রোগীর ছেলে আবদুর রউফকে বেধড়ক মারধর করে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।
এ ঘটনায় শজিমেক শাখার সভাপতি ডা. এমএ আল মামুন, সহ-সভাপতি ডা. আশিকুজ্জামান আসিফ, সাবেক সহ-সভাপতি ডা. কুতুব উদ্দিন ও ডা. নূরজাহান বিনতে ইসলাম নাজ এর ইন্টার্নশিপ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়। সেই সঙ্গে শাস্তি শেষে তাদের চারটি ভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্নশিপ শেষ করতে হবে বলে ঘোষণা দেন কর্তৃপক্ষ।