নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ মে, ২০১৫
যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করে দাম্ভিকতা দেখিয়ে দেশে বীরদর্পে চলাফেরা করেছে তা দেখে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোকজন দীর্ঘ চার দশক শুধু চোঁখের জল ফেলেছে।দীঘ ৪৪ বছর পর মানবতাবিরোধী অপরাধীদের শাস্তি কার্যকর হচ্ছে দেখে বুকের ওপর থেকে কষ্টের চাপা পাথরগুলো সরে যাচ্ছে। শহীদের আত্মা শান্তি পাচ্ছে। মুক্তিযুদ্ধে ফেঞ্চুগঞ্জের প্রথম শহীদ আসাদুজ্জামান বাচ্চুর ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সোমবার চেতনা ফেঞ্চুগঞ্জ নামক সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে উপজেলা সদরের চন্ডী প্রসাদ মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ফেঞ্চুগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক রিয়াজ উদ্দীন ইসকা।
ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা গণতন্ত্রী পার্টির সাধারন সম্পাদক এনামুল করিমের পরিচালনায় স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ভাস্কর রঞ্জন দাস।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাহমুদ উস সামাদ ফারজানা চৌধূরী গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রবীন্দ্র কুমার নাথ, ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম, ফেঞ্চুগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মো. আকরাম হোসেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আব্দুল বাছিত টুটুল, ফরিজা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ময়ূব আলী, কাসিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক রশীদ আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা গোলাম মাওলা, ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির সাধারন সম্পাদক রাজু আহমদ রাজা, শিক্ষানুরাগী ফজলুল হক, কবি মোস্তফা নুরুজ্জামান, আওয়ামীলীগ নেতা শিব্বির আহমদ, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা জয়নাল আবদীন খান, কবি হাজী মফজ্জিল আলী, শহীদ আসাদুজ্জামান বাচ্চুর ছোট ভাই মানিকুজ্জামান মিরন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন চেতনা ফেঞ্চুগঞ্জের আহবায়ক এনায়েত হোসেন রুহেল। প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাংবাদিক মামুনুর রশীদ।
সভায় বক্তরা শহীদ আসাদুজ্জামান বাচ্চুর স্মৃতিতে সড়কের নামকরণ করায় এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক আছকর আলীর স্মরণে সেতুর নামকরণ করায় স্থানীয় সাংসদ মাহমুদ উস সামাদ চৌধূরীকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়। স্মরণসভা শেষে বাদ মাগরিব থানা মসজিদে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।