সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৮ এপ্রিল, ২০১৭
সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার চাঞ্চল্যকর শিশু ইমন হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। বাদি ও নিহতের পিতা জহুর আলীর সাক্ষ্য দেওয়ার পর আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন বাতিরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা সাক্ষী লোকমান আহমদ।
মঙ্গলবার (১৮ এপ্রিল) সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মকবুল আহসানের আদালতে তিনি সাক্ষ্যতে প্রধান আসামি সুজনের উদ্ধৃতি দিয়ে ইমন হত্যায় ব্যবহৃত চাকু, জামাকাপড় ও মাথার খুলিসহ বিভিন্ন আলামত উদ্ধারের বর্ণনা দেন।
ছাতক উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের বাতিরকান্দি গ্রামের সৌদি প্রবাসী জহুর আলীর ছেলে ও লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কারখানার কমিউনিটি বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্র ইমনকে ২০১৫ সালের ২৭ মার্চ অপহরণ করা হয়। পরে মুক্তিপণের টাকা পাওয়ার পরও অপহরণকারীরা শিশু ইমনকে হত্যা করে। ৮ এপ্রিল মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সিলেটের কদমতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে শিশু ইমনের হত্যাকারী ঘাতক ইমাম সুয়েবুর রহমান সুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুলিশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি, বিষের বোতল ও রক্তমাখা কাপড় উদ্ধার করে। এমনকি বাতিরকান্দি হাওর থেকে ইমনের মাথার খুলি ও হাতের হাড় উদ্ধার করে পুলিশ।
আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট কিশোর কুমার কর জানিয়েছেন, প্রথমদিন সাক্ষী হিসেবে বাদি আদালতে সাক্ষ্য দেন। পরবর্তী তারিখে তাকে বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা জেরাও করেন। মঙ্গলবার লোকমান নামের আরেকজন সাক্ষ্য দেন।
তিনি আরো জানান, আদালতে সাক্ষ্য প্রদান অব্যাহত রয়েছে। আগামী তারিখেও সাক্ষ্য নেওয়া হবে।