Sylhet Today 24 PRINT

বড়লেখায় জনপ্রতিনিধির হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পেল স্কুল ছাত্রী

বড়লেখা প্রতিনিধি  |  ০২ মে, ২০১৭

৮ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী সুমনা বেগম (১৫)। এখনও স্বামী-সংসার বুঝার বয়স হয়নি তাঁর। এরই মধ্যে গোপনে সুমনার বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন বাবা-মা। কিন্তু সেই বিয়েতে বাঁধা হয়ে দাঁড়ান স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধি। অবশেষে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পায় সুমনা।

সোমবার (০১ মে) উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। তবে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চাওয়ায় সুমনার বাবা-মা’র বিরুদ্ধে কোনো আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন।

জানা গেছে, উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের সুনামপুর গ্রামের আমির আলীর মেয়ে সুমনার সঙ্গে বিয়ানীবাজারের জনৈক পাত্রের বিয়ের দিন গত সোমবার নির্ধারণ ছিল। স্থানীয় এক জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বাল্যবিয়ের খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এসএম আবদুল্লাহ আল মামুন তা বন্ধ করতে ইউপি সদস্য রুহুল আমীন বাহারকে নির্দেশ দেন। ইউপি মেম্বার কনের বাড়িতে গিয়ে বাল্যবিয়ে বন্ধের অনুরোধ জানান। অন্যথায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালে কনের বাবা-মা বিয়ে বন্ধ করেন। এর আগে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়েই স্থানীয় নিকাহ রেজিস্ট্রারী (কাজী) আব্দুল মোক্তাদির ও বরপক্ষ পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আবদুল্লাহ আল মামুন মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘মেয়েটির বয়স মাত্র ১৫। ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে না দেয়ার মুচলেকা দিয়েছেন মেয়েটির বাবা আমির আলী ও মা নুরুন নেছা। ইউপি সদস্য রুহুল আমিনের মতো জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে এলে অচিরেই বড়লেখা উপজেলা বাল্যবিয়ে মুক্ত হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।’  

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.