নিজস্ব প্রতিবেদক | ১০ মে, ২০১৭
দক্ষিণ সুরমার শিববাড়ীর জঙ্গি আস্তানা আতিয়া মহল থেকে বিস্ফোরক উদ্ধার ও অভিযান চলাকালে অদূরে বোমা বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় দায়ের করা দুটি মামলা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)-এর কাছে স্থানান্তর করা হয়েছে। পুলিশ হেড কোয়ার্টার্সের নির্দেশে মঙ্গলবার মামলা দুটি পিবিআই’র কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ তথ্য নিশ্চিত করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসা জানিয়েছেন, এখন থেকে পিবিআই মামলা দুটি তদন্ত করবে। এর আগে মামলা দুটির তদন্ত করছিল মোগলাবাজার থানা পুলিশ।
তিনি জানান, পুলিশ হেড কোয়ার্টার্স ২/৩ দিন আগে মামলা দুটি তদন্তভার পিবিআই’র কাছে হস্তান্তরের নির্দেশনা আসে। এরপর মামলার নথিপত্রসহ আনুষঙ্গিক সকল আলামত পিবিআইকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ ভোরে আতিয়া মহলে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ২৫ মার্চ সকাল থেকে ২৮ মার্চ সন্ধ্যা পর্যন্ত আতিয়া মহলে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো দল আতিয়া মহলে অপারেশন টুয়াইলাইট পরিচালনা করে।
২৫ মার্চ সন্ধ্যায় ভবন সংলগ্ন পাঠানপাড়া দাখিল মাদ্রাসার পশ্চিম পর পর দু’দফা বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় র্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান লে: কর্নেল আবুল কালাম আজাদসহ ৭ জন নিহত হন। এ ঘটনায় আহত হন আরো অন্তত অর্ধশত।
এস আই শিপলু দাস বাদী হয়ে হত্যা মামলা এবং এস আই সুহেল বাদী হয়ে বিস্ফোরক আইনে আরো একটি মামলা দায়ের করেন।
২৮ মার্চ সন্ধ্যায় অপারেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা পরিদপ্তরের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ফখরুল আহসান। অভিযানে চার জঙ্গি নিহত হয়।
এরপর আতিয়া মহলকে বিস্ফোরকমুক্ত করতে ‘অপারেশন ক্লিয়ারিং আতিয়া মহল’ শুরু করে র্যাবের বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।