নিজস্ব প্রতিবেদক | ১১ মে, ২০১৭
বুধবার রাতে নগরীর পাঠানটুলার রশীদ মঞ্জিলে ওঠে শাফাত আহমদ ও সাদমান সাকিফ। পাঠানটুলালার ওই বাসার মালিক মামুনুর রশিদ নামের এক প্রবাসী। এই ভবনে প্রবাসীর মা এবং একজন কেয়ারটেকার থাকেন।
কেয়ারটেকার নুরন্নবি জানান, বুধবার (১০ মে) রাত সাড়ে এগারটার দিকে মামুনুর রশিদের বন্ধু নগরীর কাজির বাজার এলাকার বাসিন্দা মাসুম নামের একজন শাফাত এবং সাকিফকে ওই বাসায় নিয়ে গিয়ে তাদের রাখতে বলে। তারপর থেকেই তারা দ্বিতীয় তলার একটি কক্ষে অবস্থান করছিলেন।
বৃহস্পতিবার রাত ৯ টার দিকে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাড়ি ঘেরাও করে। কিছুক্ষণ পরই উপরে উঠে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায় বলে জানান নুরন্নবী।
রাত সাড়ে ১০টায় সিলেট মহানগর পুলিশ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে একই তথ্য জানিয়েছেন মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (গণমাধ্যম) জেদান আল মুসাও।
সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বনানীতে ধর্ষন মামলার আসামী শাফাত আহমদ ও সাদমান সাকিফকে।
প্রসঙ্গত, গত ২৮ মার্চ রাতে রাজধানীর বনানীর 'দি রেইনট্রি' নামক একটি হোটেলে পূর্ব পরিচিত শাফাত আহমেদের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে রাতভর ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। ওই ঘটনায় গত শনিবার আপন জুয়েলার্সের অন্যতম কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে শাফাত আহমেদ ও রেগনাম গ্রুপের পরিচালক সাদমান সাকিফসহ পাঁচজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার অপর তিন আসামি হলেন ই-মেকার্স ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের পরিচালক নাঈম আশরাফ, শাফাতের গাড়ি চালক বিল্লাল এবং তার দেহরক্ষী আবুল কালাম আজাদ।