Sylhet Today 24 PRINT

তিস্তায় নিখোঁজ বিজিবি সদস্য সুমনের হবিগঞ্জের বাড়িতে শোকের মাতম

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি |  ২৭ জুন, ২০১৭

নিখোঁজ বিজিবির ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া

লালমনিরহাটের দহগ্রাম সীমান্তে তিস্তা নদীতে নিখোঁজ বিজিবির ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার হবিগঞ্জের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। তাঁর নিখোঁজের খবরে শোকে মূহ্যমান পরিবারের সদস্যদের ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জুন) বিকেলে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার আটঘরিয়া গ্রামে বিজিবির ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে দেখা যায় কান্নার রোল। বাড়িতে জড়ো হয়েছেন স্বজন, বন্ধু, প্রতিবেশীসহ অসংখ্য মানুষ। সবার মাঝেই উৎকন্ঠা আরভ প্রশ্ন- সুমনের লাশ মিলবে পাওয়া যাবে তো!

পরিবারিক সূত্রে জানা যায়, ঈদে ছুটি মিলবে না, তাই রমজানেই বাড়িতে এসেছিলেন সুমন। ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যান ২৬ রমজান। ঈদের দিন রাত ১০টায় সর্বশেষ স্ত্রী জেসমিন আক্তারের সাথে মোবাইল ফোনে কথা বলেন সুমন। জানতে চান, স্ত্রী খাওয়া দাওয়া করেছেন কি না। মঙ্গলবার সকালে খবর আসে তার নিখোঁজের। এরপর থেকেই বারবার মুর্ছা যাচ্ছেন স্ত্রী জেসমিন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০১২ সালে সুমন ও জেসমিনের বিয়ে হয়। তাদের কোন সন্তান নেই। ১০ ভাই ও ৪ বোনের মধ্যে সুমন ১২তম।

নিখোঁজ সুমন মিয়ার বড় ভাই আশিক মিয়া কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি জানান, তারা খবর পেয়েছেন তার ভাই ডিউটিতে গিয়ে নদীতে পড়ে যান। এ খবর পেয়ে তারা সুমন মিয়ার সিনিয়র অফিসারের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, সুমন গরু পাচারকারী ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন। কিন্তু তারা বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তিনি বলেন, আমরা ভাই-বোন সবাই এখন অস্থির অবস্থায় রয়েছি।

সোমবার (২৬ জুন) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্প থেকে বিওপির চারজনের একটি টহল টিম মুন্সিপাড়া সীমান্ত এলাকায় তিস্তার ধারে যায়। সেখানে ভারতীয় গরু পাচার হয়ে আসার সময় নদীতে পাচারকারীদের ধরতে গিয়ে ল্যান্স নায়েক সুমন মিয়া নিখোঁজ হন।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.