সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৮ জুলাই, ২০১৭
বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শুধুমাত্র ঢাকাকেন্দ্রিক সংবাদমাধ্যমের বিকাশ এবং সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকবে সেটা কাম্য নয়। দেশের সব অঞ্চলের সাংবাদিকেরা যাতে সেই সুবিধার আওতায় আসেন সেটা নিয়ে আমরা কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, সাংবাদিকদের ঐক্য, পেশাগত দক্ষতা ও জীবনমান উন্নয়নের একটি রূপরেখা প্রণয়নের ক্ষেত্রে প্রেস কাউন্সিল আন্তরিক। এ লক্ষ্যে আমি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। দেশের সকল সাংবাদিককে একই ছায়াতলে সমবেত করতে এবং তাদের প্রকৃত স্বীকৃতি সরূপ প্রেস কাউন্সিল থেকে সনদপত্র প্রদান করতে আমরা নীতিগতভাবে একমত।
তিনি বলেন, প্রকৃত সংবাদপত্রসেবিরা এবং অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ব্যক্তি যাতে সংবাদপত্রের প্রকাশক-সম্পাদক হতে পারেন এ দিকটা সকলের নজরে আনা উচিত।
শনিবার (৮ জুলাই) রাতে সিলেট প্রেসক্লাব পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান।
বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ আরও বলেন, সাংবাদিকদের কল্যাণের কথা চিন্তা করেই বঙ্গবন্ধু এ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তুলেছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সাংবাদিকদের দাবি-দাওয়ার ব্যাপারে খুবই আন্তরিক। আমরা এই সুযোগকে হাতছাড়া করতে চাই না। সাংবাদিকদের সম্মিলিত প্রয়াসই কেবল স্বপ্ন পূরণে ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি সিলেট প্রেসক্লাবের ভবন ঘুরে ঘুরে দেখে তাঁর সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, সাংবাদিকতার ইতিহাস ঐতিহ্য সংরক্ষণে এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কোনো বিকল্প নেই। আমি এই প্রতিষ্ঠানের সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করি।
সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি ইকরামুল কবিরের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ মো. রেনুর পরিচালনায় মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইকবাল সিদ্দিকী ও আহমেদ নূর, সহ-সভাপতি মুহাম্মদ আমজাদ হোসাইন, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক কোষাধ্যক্ষ খালেদ আহমদ, দৈনিক কাজিরবাজারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ সুজাত আলী, প্রেসক্লাবের ক্রীড়া ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. আব্দুল আহাদ, পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু সাঈদ মো. নোমান, নির্বাহী সদস্য মো. কামরুল ইসলাম, সাবেক পাঠাগার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. আব্দুল মুকিত অপি, ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল বাতিন ফয়সল, দৈনিক সংগ্রামের ব্যুরো প্রধান কবির আহমদ, দৈনিক কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার ইয়াহইয়া ফজল, দৈনিক সিলেট বাণীর রিপোর্টার অনির্বাণ সেনগুপ্ত প্রীতম, দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ ফটোগ্রাফার এটিএম তুরাব ও ফটো সাংবাদিক অসমিত মজুমদার নন্দি অভি।