সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৭ আগস্ট, ২০১৭
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, বর্তমান সরকারের আমলে সিলেটের স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার উন্নতি হয়নি এমন কথা কেউ বলতে পারবে না। উন্নতির আরো প্রয়োজন রয়েছে। হাজার বছর ধরে বাঙালি এই অঞ্চলে বসবাস করছে। আমরা স্বাধীন ছিলাম না। দেশ এখন অনেক বদলেছে। আরো বদলাবে। আমরা ২০২১ সালে মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হবো।
তিনি বলেন, জাতির পিতার নেতৃত্বে দেশ স্বাধীন হয়েছে। জাতির শত্রুরা তাকে স্ব-পরিবারে হত্যা করে দেশকে ২১ বছর পিছিয়ে দিয়েছিল। তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।
তিনি রোববার নগরীর শাহজালাল উপশহর উচ্চবিদ্যালয়ের দুটি একাডেমিক ভবন উদ্বোধন শেষে স্কুলে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উপশহর উচ্চ বিদ্যালয়টি এলাকাবাসীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এমপিওভুক্ত ছিলো না। আমি তা করে দিয়েছি। দুটি ভবন তৈরি করেছি। প্রয়োজনে আরো দেব। তবে শিক্ষার মান বাড়াতে হবে।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট ছালেহ আহমদ সেলিমের সভাপতিত্বে বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, অতিথিকে বরণ করার জন্য কোনো অবস্থায়ই শিক্ষার্থীদের রাস্তায় দাড়িয়ে থাকতে দেয়া যাবে না। কেউ করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারী দেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, এমসি কলেজের ৪০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলছে। সরকারি কলেজের উন্নয়ন কাজ চলছে। সিলেট শিক্ষা বোর্ড এইচএসসিতে এবার দেশসেরা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে এখন শতভাগ শিক্ষার্থী যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এ কে এম গোলাম কিবরিয়া তাপাদার। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রধান শিক্ষক এম আক্কাস আলী।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী দেওয়ান মোহাম্মদ হানজালা, নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল হাকিম, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার বদরুল ইসলাম শোয়েব, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আঞ্চলিক পরিচালক জাহাঙ্গীর কবির আহমেদ, সিলেট শিক্ষা বোর্ডের স্কুল পরিদর্শক ড. মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা গুলজার আহমদ খান, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা পুলিন চন্দ্র রায়, ২২নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মিসবাহ উদ্দিন, স্কাউটস সিলেটের কমিশনার মুবিন আহমদ জায়গীরদার।
উল্লেখ্য, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে দ্বিতল বিশিষ্ট দুটি একাডেমিক ভবন নির্মাণে ব্যয় হয় ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা।