নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
চলছে শেষ দিনের বাজার। রাতের অাঁধার শেষ হয়ে সকালের সূর্য উঠার সাথে সাথেই ঈদ। শেষ দিনে এসে জমে উঠেছে সিলেটের পশুর হাটগুলো। চলছে বিকিকিনির দুম।
শেষের দিকে বাজার জমে উঠবে কি না এ নিয়ে সংশয় থাকলেও অবশেষে পশুর হাটগুলো জমে উঠেছে। তাই অনেকটা আনন্দিত বিক্রেতারা।
ব্যাপারীরা বলছেন, গেলো বছরও লোকসান গুনতে হয়েছে। এইবার কি হবে কি না এই ভয়ে থাকলেও অবশেষে আজ কাঙ্খিত পরিমানে জমে উঠেছে পশুর হাট। আশা করি গেলো বছরের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে উঠা সম্ভব হবে।
গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিন মাদ্রাসা মাঠের গরুর ব্যবসায়ী জমির উদ্দিন বলেন, গেলো বছর অনেক লোকসান হয়েছে। এইবারও প্রথম দিকে লোকসানের ভয় থাকলেও এখন আশা করছি কিছুটা লাভ হবে।
বাজার সংশ্লিষ্ট সূত্রে খোঁজ নিয়ে জানা যায় সিলেটর বিয়ানীবাজার উপজেলার চারখাই, বিয়ানীবাজার, চুরাবই বাজার, দক্ষিনসুরমা মংলোবাজার, কুচাই বাজার, গোলাপগঞ্জ উপজেলার এমসি একাডেমী স্কুল মাঠ, রাকুয়ার বাজার, পুরকায়স্থ বাজার, ঢাকাদক্ষিন মাদ্রাসা মাঠের অস্থায়ী পশুর হাট সহ সকল বাজারেই চলছে বিকিকিনির দুম।
শুক্রবার সরজমিন গোলাপগঞ্জ উপজেলার এমসি একাডেমীর খেলার মাঠ, ঢাকাদক্ষিন বাজার, চারখাই বাজার, সহ স্থানীয় কয়েকটি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাট ঘুরে দেখা যায় চলছে বিকিকিনির দুম। শেষ দিনের বাজার হওয়ায় ক্রেতাদের ঢল নেমেছে বাজারগুলোতে। তবে দামও কিছুটা চৌড়া লক্ষ করা গেছে।
এসময় কথা হয় চারখাই বাজারে গরু কিনতে আসা আনহার মিয়ার সাথে। আনহার মিয়া বলেন, আজ শেষ বাজার। তাই গরু আজই কিনতে হবে। বাজারে পর্যাপ্ত দেশি গরু আছে। তবে দাম একটু বেশি।
কথা হয় রাকুয়ার বাজারের ব্যাপারী কামিল উদ্দিন এর সাথে। কামিল উদ্দিন বলেন বিকিকিনি ভালই চলছে। ১১টি গরু নিয়ে এসেছিলাম। ইতিমধ্যে ৭টি গরু বিক্রি করেছি। ভালই লাভ হয়েছে। আশা করছি বাকি ৪টিতেও ভালো লাভ হবে।