জগ্ননাথপুর প্রতিনিধি | ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৭
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা কওমি মাদ্রাসার নিলামকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে আহত এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘটেছে। পুলিশের পৃথক অভিযানে বন্দুকযুদ্ধ মামলার আরো চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টায় তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জগন্নাথপুর থানার ওসি হারুনূর রশীদ চৌধুরী।
নিহত ব্যক্তির নাম হাজী আব্দুল হান্নান গ্রুপের নুর আলী (৩৫)। তিনি শ্রীধরপাশা গ্রামের মৃত তছকির আলীর পুত্র।
এদিকে জগন্নাথপুর থানার এসআই হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সিলেট নগরীর বিভিন্ন স্থানে ও জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের জগদীশপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে থানা পুলিশ সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন আশরাফ আলম কোরেশী পক্ষের শ্রীধরপাশা গ্রামের নুরু মিয়ার পুত্র হাবিবুর রহমান (২৫), জগদীশপুর গ্রামের মৃত আব্দুল কাদিরের পুত্র সিয়েব আলম (২৬), কামারখাই গ্রামের মৃত আছলম উল্লাহর পুত্র নুরুল হক (৩৫) ও একই গ্রামের ধরাজ মিয়ার পুত্র জাহাঙ্গির আলম।
গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে জগন্নাথপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হারুন অর রশিদ বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের সুনামগঞ্জ বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৬ সেপ্টেম্বর দুপুরে মাদ্রাসার জমি নিলামকে কেন্দ্র করে আশরাফ আলম কোরেশী ও হাজী আব্দুল হান্নান গ্রুপের বন্দুক যুদ্ধে প্রায় অর্ধশতাধিক লোকজন আহত হয়ে ছিলেন এবং উভয় পক্ষের ৯ জনকে তাৎক্ষনিকভাবে আটক করা হলে পরবর্তীতে দুই পক্ষের দুটি মামলা হলে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হলে আদালতের নির্দেশ মতে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত উভয় পক্ষের ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।