নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৬ অক্টোবর, ২০১৭
নদী দখলদার ও দূষণকারীদের মানুষরূপী দৈত্য আখ্যায়িত করে ও প্রতীকী দৈত্যের কুশপুত্তলিকা জ্বালিয়ে সিলেটে আন্তর্জাতিক নদীরক্ষা দিবস পালন করেছে অঙ্গীকার বাংলাদেশ। শুক্রবার সকালে ১০ টায় নগরীর চাঁদনীঘাটে সুরমা নদীর তীরে এ কর্মসূচী পালন করা হয়।
এসময় দখল ও দূষণের হাত থেকে নদীকে রক্ষার শপথও নেওয়া হয়। নদীর প্রতি কৃতজ্ঞতাস্বরূপ নদীতে ফুল ছিটিয়ে দেন কর্মসূচীতে অংশগ্রহণকরারীরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, নদীর প্রতি আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা। বাংলা ব-দ্বীপে মানব বসতি-জনপদ গড়ে তুলতে নদী সবসময় পাশে থেকেছে। অথচ মানুষরূপী কিছু দানব দখলে-দূষণে নদীকে মৃত ভাগাড়ে পরিণত করেছে।
নদীর প্রতি এই অবিচারের জন্য ক্ষমা চেয়ে নদী রক্ষা অবিরাম সংগ্রামে নিয়োজিত থাকার শপথ উচ্চারণ করেন নদীর প্রতি ক্ষমা প্রার্থনা, নদীকে পুষ্প প্রদান, ও নদীবিরোধী প্রতীকী দৈত্যভস্মীকরণ' শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা। নদীর পানিতে ছিটিয়ে দেন পুষ্পাঞ্জলি। এরপর নদী দখলদার দৈত্যের পুত্তলিকা পুড়ানো হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রতিবছর সেপ্টেম্বরের শেষ শুক্রবার অঙ্গীকার বাংলাদেশ সারা দেশে নদী রক্ষা দিবসের কর্মসূচী পালন করা হলেও দুর্গা পূজার কারণে এবার তা পালন হয় অক্টোবরের প্রথম শুক্রবার।
অঙ্গীকার বাংলাদেশের পরিচালক এডভোকেট মঈনুদ্দিন আহমদ জালালের সমন্বয়ে নদী রক্ষার এ কর্মসূচীতে অংশ নেন কবি তুষার কর, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শুভেন্দু ইমাম, অধ্যাপক শামসুল আলম, বাপা’র সহ-সভাপতি এমাদউল্লাহ শহিদুল ইসলাম শাহিন, ডা, বীরেন্দ্র চন্দ্র দেব, অধ্যাপক ড. নাজিয়া চৌধুরী, সেলিমা সুলতানা, শামীম আরা বেগম, নাগরিক মৈত্রীর আহ্বায়ক এডভোকেট সমর বিজয় সী শেখর, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন সুমন, এডভোকেট রাশেদা সাইদা খানম, খেলাঘর, সিলেটের সাধারণ সম্পাদক তপন চৌধুরী, প্রদ্যুত রায়, এডভোটেক মুহিত লাল ধর, এডভোকেট ফজলুর রহমান শিপু, এডভোকেট মনির উদ্দিন, অরুপ বাউল, পলাশ ইসলাম সেলিনা বেগম, সোনিয়া সুভদ্রা, এডভোকেট ওহিদুর রহমান চৌধুরী, এডভোকেট কানন আলম, এডভোকেট ইমরান আহমদ, এডভোকেট জামিল আহমদ, তাসলিমুল ইসলাম, এশাল বিন তাজ প্রমুখ।