চুনারুঘাট প্রতিনিধি | ০৭ অক্টোবর, ২০১৭
হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামে প্রতিপক্ষের টর্চ লাইটের আঘাতে নিহত নুরুল ইসলাম (৫৫) এর ময়নাতদন্ত শেষে তার লাশ পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ দিকে ঘটনার পর থেকে প্রতিপক্ষের লোকজন আত্মগোপন করেছে।
শুক্রবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে ময়নাতদন্তের পর তাঁর লাশ পুত্র জিয়াউর রহমানের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
সদর হাসপাতাল মর্গে লাশের সাথে আসা তার পুত্র জিয়াউর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের আওয়াল মিয়া, তার পুত্র নাসির মিয়া ও জমির মিয়ার সাথে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। এর জের ধরে ভূমিদস্যুরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে কেউ বাড়ি না থাকার সুযোগে উল্লেখিতরা তার পিতাকে উঠান থেকে ধরে নিয়ে যায়। পরে তাদের বাড়িতে নিয়ে মারধর করে।
এক পর্যায়ে লাইট দিয়ে মাথায় ও নাকে আঘাত করলে তার পিতা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। খবর পেয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে নুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) কামরুল হাসানের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। এদিকে লাশের নাক দিয়ে রক্ত বের হতে দেখা যায়। ঘটনার পর থেকে উল্লেখিতরা আত্মগোপন করেছে।
আজমিরীগঞ্জ থানার ওসি জানান, ময়নাতদন্ত শেষে থানা থেকে রাত ৯টার দিকে লাশ তার পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে।
মৃত্যুর কারণ জিজ্ঞাস করলে তিনি জানান, তাঁর পরিবারের দাবি হত্যা করা হয়েছে। তবে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ছাড়া মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে না।