Sylhet Today 24 PRINT

বড়লেখায় শিশু ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে দুই সন্তানের জনক গ্রেপ্তার

বড়লেখা প্রতিনিধি  |  ০৯ নভেম্বর, ২০১৭

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় এক কন্যা শিশু (৭) কে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ মিয়া ওরফে মাদু (২৬) নামে দুই সন্তানের এক জনককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ভোররাতে তাকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাহফুজ মিয়া মাধবপুর উপজেলার জাহাঙ্গীর হোসেনের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গত রবিবার (০৫ নভেম্বর) বড়লেখা পৌর শহরের গাজীটেকা বারইগ্রাম এলাকায় এক বস্তিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত মাহফুজ মিয়া পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে বুধবার (৮ নভেম্বর) রাতেই বড়লেখা থানায় মামলা করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার বড়লেখা পৌর শহরের গাজীটেকা বারইগ্রাম এলাকায় সকাল সাড়ে ১০টায় এক বস্তিতে মাহফুজ মিয়ার ঘরে টেলিভিশন দেখতে যায় শিশু কন্যা (৭)। তখন মাহফুজ মিয়া জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে শিশুটির প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে মাহফুজ মিয়া পালিয়ে যায়। শিশুটির দিনমজুর পিতা বিকেলে কাজ থেকে ফিরলে ঘটনাটি জানতে পারেন। পরে ওই রাতে শিশুটি বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রাথমিক পরীক্ষা শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে শিশুটিকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এরপর বুধবার (৮ নভেম্বর) রাতেই ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে বড়লেখা থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। মামলা রুজুর পর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জাহাঙ্গীর আলম ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরীফ উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) ভোররাতে তাকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেন।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সহিদুর রহমান বৃহস্পতিবার বলেন, ‘শিশুটির ডাক্তারী পরীক্ষা শেষে তাঁর বাবা বাদী হয়ে বুধবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযুক্ত ব্যক্তি ঘটনার পরপরই পলাতক হয়। অভিযোগ পেয়েই মামলা রুজুর পর হবিগঞ্জ থেকে মাহফুজ মিয়া গ্রেপ্তরা করা হয়। বৃহস্পতিবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।’

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.