সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ২১ ডিসেম্বর, ২০১৭
পর্যটনের ক্ষেত্রে সুনামগঞ্জ একটি সম্ভাবনাময় জেলা। এখানে হাওর, নদী, পাহার, টিলা সবই আছে। সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওর এখন বিশ্বব্যাপী পরিচিত। প্রতিদিন পর্যটকেরা আসেন এখানে। সুনামগঞ্জকে বর্ষায় মনে হয় জল-জোছনার শহর। অসংখ্য মরমিক সাধক ও বাউল-কবির জেলা এটি। তাই সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়া হাওরসহ সকল পর্যটন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগ আছে।
বুধবার বিকালে ‘টাঙ্গুয়ার হাওরে দায়িত্বশীল পর্যটন উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন’ শীর্ষক এক কর্মশালায় বক্তারা এই মত তুলে ধরেন। জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব ন্যাচার (আইইউসিএন) যৌথভাবে এই কর্মশালার আয়োজন করে। জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্মশালা হয়।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের পরিচালক (পরিকল্পনা) মো. শহীদুল আলম। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন আইইউসিএনের প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আবদুল মোতালেব।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) কামরুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মো. শফিউল আলম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইসরাত জাহান, আইইউসিএনের সহকারী প্রকল্প কর্মকর্তা সেলিনা সুলতানা, জলবায়ু পরিবর্তন সহায়তা তহবিলের সহকারী পরিচালক (উন্নয়ন) সাকিলা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের সহকারি ব্যবস্থাপক মুজাহিদ আলম, জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি নুরুর রব চৌধুরী, জেলা মহিলা পরিষদের সাবেক সভাপতি শীলা রায়, টাঙ্গুয়ার হাওরে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে নিয়ে গঠিত সহব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি বজলুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলী উসমান, হাওরের ট্যুরিস্ট গাইড আহমদ কবির প্রমুখ।
কর্মশালায় জানানো হয়, টাঙ্গুয়ার হাওরে পর্যটনের উন্নয়নের একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের নাম ‘বাংলাদেশে জলবায়ু সহিষ্ণু পর্যটন উন্নয়নে দায়িত্বশীল পর্যটন ব্যবস্থাপনা প্রবর্তন’। হাওর এবং এর পার্শ্ববর্তী টেকেরঘাট এলাকার স্বাধীনতা উপত্যকা, নিলাদ্রী ডিসি পার্ক, বারেক টিলা, যাদুকাটা নদের সৌন্দর্যকে কাজে লাগিয়ে এই পর্যটন গড়ে তোলা হবে।