সিলেটটুডে ডেস্ক | ০৬ জুন, ২০১৫
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের প্রথম দিনেই বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সাক্ষর হয়েছে। এরমধ্যে সিলেটের জন্য সবচেয়ে বড় খবর হল ঢাকা ও চট্টগ্রামের পর সিলেট এবং খুলনায় স্থাপিত হতে যাচ্ছে ভারতীয় মিশন। অন্যদিকে আসামের রাজধানী গৌহাটিতে স্থাপিত হবে বাংলাদেশ মিশন। এসব মিশন স্থাপনের ফলে দুই দেশের মানুষের ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা অনেকাংশেই নিরসন হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এছাড়াও এসব মিশনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সাংস্কৃতিক বিনিময়ের কার্যক্রম জোরালো করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর যৌথ বিবৃতিতে আরও উল্লেখযোগ্য যেসব সমঝোতা স্মারক হয় তার মধ্যে রয়েছে- ভারতীয় ব্যবসায়ীদের জন্য মংলা ও ভেড়ামারার বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা। ৫৪টি অভিন্ন নদী ব্যবস্থাপনায় বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ। দুই দেশের মানুষদের মধ্যে নিবিড় যোগাযোগ বাড়াতে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
এছাড়াও সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় দুই দেশ জিরো টলারেন্স দেখাবে বলে উল্লেখ করা হয়।
সামগ্রিক উন্নয়নে আন্তঃযোগাযোগকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে বাংলাদেশ ও ভারত। ভারতের প্রধানমন্ত্রী দুপুর পৌনে ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছানোর পর কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা এবং ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি রুটের বাস সার্ভিসের উদ্বোধন করেন দুই প্রধানমন্ত্রী। এসময় কলকাতার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও উপস্থিত ছিলেন।
এরপর দুই প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ছিটমহল বিনিময়ে স্থল সীমান্ত চুক্তির অনুসমর্থনের দলিল বিনিময় করে বাংলাদেশ ও ভারত, যার মাধ্যমে দশকের পর দশক অবরুদ্ধ জীবন কাটানো অর্ধ লক্ষাধিক মানুষের মুক্তির পথ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশস্ত হয়। এ সময় ওই চুক্তি বাস্তবায়নের কার্যপদ্ধতি সম্বলিত পত্রও বিনিময় হয়।