সংবাদ বিজ্ঞপ্তি | ০৪ জানুয়ারী, ২০১৮
দি সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি’র উদ্যোগে ট্যুর অপারের্টস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর সাথে ‘সিলেটে পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চেম্বারের কনফারেন্স হলে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সিলেট চেম্বারের সভাপতি খন্দকার সিপার আহমদ এর সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাংসদ ইমরান আহমদ বলেন, পর্যটন খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার অত্যন্ত আন্তরিক। ইতিমধ্যে এখাতের উন্নয়নে অনেকগুলো পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে। সরকার জাফলংয়ের রাস্তার উন্নয়নে ইতোমধ্যে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন, শীঘ্রই এ রাস্তার উন্নয়ন কাজ শুরু হবে। এছাড়াও ভোলাগঞ্জ, জাফলং ও বিছনাকান্দি ট্যুরিস্ট স্পট এলাকা থেকে পাথর উত্তোলন নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং নতুন কাউকে লীজ দেওয়া হয়নি। কারণ পর্যটনকে টিকিয়ে রাখার জন্য পর্যটন এলাকাগুলোর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী।
পর্যটকগণকে সচেতন থাকার আহবান জানিয়ে তিনি আরো বলেন, সরকারের পক্ষে এককভাবে পর্যটন খাতের বিকাশ ঘটানো সম্ভব নয়। এজন্য প্রাইভেট সেক্টর থেকে বড় ভূমিকা রাখতে হবে। ব্যবসায়ীদেরকে শুধুমাত্র ব্যবসায়ীক মন-মানসিকতা থেকে বেরিয়ে এসে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে। তিনি পর্যটকদের সিলেটের প্রতি আগ্রহী করে তোলার লক্ষ্যে সিলেটের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে সিলেট চেম্বারের সভাপতি জনাব খন্দকার সিপার আহমদ বলেন, জৈন্তিয়া খাসিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেট অঞ্চল পর্যটন খাতে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়। সিলেটের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য পর্যটকদের কাছে সবসময়ই আকর্ষণীয়। পর্যটনের এ অপার সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সিলেট দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে।
তিনি আরো বলেন, সিলেটে বর্তমানে বেসরকারি উদ্যোগে অনেকগুলো বিশ্বমানের রিসোর্ট, হোটেল, মোটেল ইত্যাদি গড়ে উঠেছে, যা পর্যটন খাতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে সিলেটকে পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা একান্ত প্রয়োজন। এক্ষেত্রে তিনি শহরের যানজট নিরসন ও হকারদের উচ্ছেদ করে ফুটপাত দখলমুক্তকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে বলেন, যানজট ও হকার কর্তৃক ফুটপাত দখল পর্যটন নগরী হিসেবে সিলেটের বিকাশের অন্যতম প্রধান অন্তরায়। এছাড়াও তিনি সিলেটের দর্শনীয় স্থান সমূহের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য সরকারকে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের আহবান জানান।
সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সিলেট চেম্বারের সিনিয়র সহ সভাপতি জনাব মাসুদ আহমদ চৌধুরী, সহ সভাপতি জনাব মোঃ এমদাদ হোসেন, ট্যুর অপারের্টস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব) এর প্রেসিডেন্ট জনাব তৌফিক ইউ আহমেদ, পরিচালক জনাব তৌফিক রহমান, ট্যুরিস্ট পুলিশ সিলেট এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব এ কে এম মোশাররফ হোসেন, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জনাব শাহ্ দিদারুল আলম নোবেল, ওমেন্স চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি স্বর্ণলতা রায়, বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের সাবেক পরিচালক ড. জাকারিয়া হোসেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব মুহিত চৌধুরী, জনাব হুমায়ুন কবির লিটন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট চেম্বারের পরিচালক জনাব জিয়াউল হক, জনাব মোঃ সাহিদুর রহমান, জনাব পিন্টু চক্রবর্তী, জনাব মুশফিক জায়গীরদার, জনাব আমিরুজ্জামান চৌধুরী, জনাব মুকির হোসেন চৌধুরী, জনাব আব্দুর রহমান, জনাব চন্দন সাহা, জনাব ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ, জনাব মোঃ আব্দুর রহমান (জামিল), জনাব হুমায়ুন আহমেদ, জনাব মুজিবুর রহমান মিন্টু, জনাব মাহমুদ আহমেদ চৌধুরী, জনাব মোঃ রুয়েল বক্ত তুষার, জনাব সৈয়দ এফতার হোসেন পিয়ার, জনাব মারুফ আহমেদ, জনাব সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, জনাব আবু তালেব মুরাদ, জনাব মোঃ জুনায়েদ আলী, জনাব হুমায়ুন কবির লিটন, জনাব ফখরুল ইসলাম মিয়া, জনাব মোঃ আবুল কালাম, জনাব সৈয়দ মাহবুবুল ইসলাম বুলু, জনাব ফয়েজ উদ্দিন লোদী, জনাব ইলিয়াস উদ্দিন লিপু, জনাব মোঃ আবুল কালাম আজাদ (মিলন), জনাব হামেদ বিন হানিফ, জনাব আবুল কাহের শাহিন, জনাব তানভির আহমেদ, জনাব মেহদী আমিন চৌধুরী, জনাব এস. এম. হাফিজুর রহমান ফারুক, জনাব তৌফিক রহমান, জনাব সৈয়দ শাফাত উদ্দিন, জনাব মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জনাব আবু বকর সিদ্দিক, জনাব মোঃ শাহ আলম রাফি, জনাব গোলাম রব্বানী প্রমুখ।