জামালগঞ্জ প্রতিনিধি | ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮
সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির মানববন্ধনে দু’পক্ষের হাতাহাতির ঘটনায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) হাওরের জলাবদ্ধতা নিরসন, বেড়িবাঁধের কাজ সঠিক ভাবে দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করার দাবিতে মানববন্ধন চলাকালে শাহজাহান-আজিজ গ্রুপ ও নূরুল হক আফিন্দী গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় নূরুল হক আফিন্দীসহ তার গ্রুপের কয়েক নেতা লাঞ্চিত হন ও ব্যানার ছিনিয়ে নেওয়ার মত ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নূরুল হক আফিন্দী সমর্থকরা দূর্লভপুর ও সাচনা বাজারে দফায় দফায় বৈঠক করে রোববার জামালগঞ্জে অবস্থান নেওয়ার ঘোষনা দেওয়া হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি সভাপতি নূরুল হক আফিন্দী, সাধারন সম্পাদক আব্দুল মালিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়ালী উল্লাহ সরকারসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এ ব্যাপারে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অপরদিকে অবস্থান কর্মসূচি প্রতিরোধের ব্যবস্থা নিতে শাহজাহান-আজিজ গ্রুপের নেতাকর্মীরাও সাচনা-জামালগঞ্জে একাধিক বৈঠক করেছেন। বৈঠকে উপজেলা বিএনপি নেতা সিরাজ মিয়া, আব্দুছ ছত্তার, মোহাম্মদ আলী, শাহজাহান, আজিজুর রহমান,আব্দুস সহিদ তালুকদার, জুলফিকার চৌধুরী রানা, ইকবাল হোসেন, শহিদূল ইসলাম, খুরশেদ আলম, আখতারুজ্জামান, মামুন, হাসিন, জিয়া, হিরন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নূরুল হক আফিন্দীর সমর্থক আব্দুল মালিক, আব্দুল মতিন, মোজাম্মেল হক স্বপন বলেন, জেলার নির্দেশে তৃণমূল পর্যায়ে দলকে আরও সংগঠিত করা খুব ভাল কাজ কিন্তু কিছু লোক দলের ভাবমূর্তী ক্ষুন্ন করতে অপচেষ্টায় লিপ্ত। আইন এবং জেলা কমিটিকে সম্মান দেখাতে গিয়ে উপজেলায় মিটিং না করে নৌপথে ৪/৫টি নৌকা নিয়ে শোডাউন করা হয়।
জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নূরুল ইসলাম নুরুল বলেন, বিষয়টি সমাধানের জন্য জেলা কমিটির পক্ষ থেকে ৩ সদস্যের (যুগ্ম সম্পাদক মোনাজ্জির হোসেন সুজন, নুর হোসেন ও সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম) একটি প্রতিনিধি দল জামালগঞ্জে পাঠানো হয়েছে।
এ ব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ অবুল হাসেম বলেন, আইনশৃংঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছি। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় চিঠি দিয়েছেন। কোন পক্ষকেই মিটিং করতে দেওয়া হবে না।