রিপন দে, শেরপুর থেকে | ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
সকালের ছবি
হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরান (রহ.) মাজার জিয়ারতের উদ্দেশে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খালেদা জিয়ার গাড়ী বহর সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা ২টা ৫৭ মিনিটে মৌলভীবাজারের শেরপুর অতিক্রম করেছে।
সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়াকে একনজর দেখতে এবং বক্তব্য শোনার আশায় জড়ো হবার চেষ্টা করেন মৌলভীবাজারের শেরপুরে।
কিন্তু পুলিশি বাধায় তারা শেরপুরে জড়ো হতে পারেননি। বেগম জিয়ার এই সফরে কোন পথসভার কথা না থাকলেও নেতা কর্মী জড়ো করতে ২ দিন ধরে পথসভার প্রচার করে আসছিল জেলা বিএনপি। তবে ২/৩ দিন ধরেই গ্রেপ্তার আতংকে আছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা কর্মীরা।
খালেদা জিয়ার আগমন উপলক্ষে ফেস্টুন লাগাতে গিয়ে ৩ বিএনপি নেতা আটক হওয়ার মৌলভীবাজারে বিএনপি কর্মীদের মধ্যে গ্রেপ্তার আতংক আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। আজ দুপুরে শেরপুর থেকে আরো ২জন কে আটক করে পুলিশ। বেগম জিয়ার আগমন উপলক্ষে কঠোর ভূমিকায় ছিল পুলিশ। সকাল থেকেই প্রতিটি মোড়ে মোড়ে অবস্থান নেয় পুলিশ। রাস্তায় বসানো হয় চেকপোস্ট। শেরপুর পয়েন্টে নেতাকর্মীদের দাড়াতে দেয়নি পুলিশ।
বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আশে পাশের সব দোকান। পুলিশি হয়রানির অভিযোগ করে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ভিপি মিজানুর রহমান জানান, জনসমাগম ঠেকাতে পরিকল্পিত ভাবে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। মৌলভীবাজার থেকে শেরপুর যাবার পথে পথে পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়ে হয়রানি করেছে তাই বিভিন্ন ফাঁড়ি পথে শেরপুরে জড়ো হবার চেষ্টা করে পারেনি বিএনপি নেতা কর্মীদের।
এদিকে পুলিশ জানায় যেকোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে তাদের এই কঠোর ভূমিকা।
বিএনপি চেয়ারপার্সনের গুলশান কার্যালয়ের গণমাধ্যম শাখার কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান এর দেওয়া তথ্য মতে আজ সকাল সোয়া ৯টায় গুলশানের নিজ বাসভবন ফিরোজা থেকে সড়কপথে রওনা হন বেগম জিয়া। এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ শতাধিক নেতা। সকাল সোয়া ৯টার দিকে সড়কপথে সিলেটের উদ্দেশে রওনা দেন নেত্রী। সিলেট সার্কিট হাউসে কিছু সময় বিশ্রামের পর বিকাল ৩টার দিকে তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ) মাজার জিয়ারত করবেন। সন্ধ্যা ৬টায় তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।