সদরুল আমিন, ছাতক | ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
ছাতকে একজন শিক্ষক দিয়েই চলছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় চার শতাধিক ছাত্রছাত্রীর লেখাপড়া। ফলে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম। সোমবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে শিক্ষক সংকট দূরি করার দাবি জানান এলাকাবাসি।
জানা যায়, উপজেলার দোলারবাজার ইউনিয়নের কুর্শি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় চার শতাধিক ছাত্রছাত্রী লেখাপড়া করছেন। দীর্ঘদিন থেকে প্রধান শিক্ষকও সহকারি শিক্ষকের দু’টি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীদের একমাত্র ভরসা হচ্ছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা সালমা বেগম। সম্প্রতি জাহিদপুর বিদ্যালয় থেকে শিক্ষক আনোয়ার হোসেনকে এখানে ডেপুটেশনে দেয়া হয়েছে। হেনা বেগম নামের অপর এক শিক্ষিকা ২০১৭সালের ১জানুয়ারি থেকে ২০১৮সালের ৩০জানুয়ারি পর্যন্ত ট্রেনিংয়ে রয়েছেন। এতে ডেপুটেশন ছাড়া শুধু একজন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকাই প্রায় চার শতাধিক শিক্ষার্থীর লেখাপড়ার একমাত্র ভরসা।
এদিকে শিক্ষক সংকট কাঠিয়ে উঠতে ৬ফেব্রুয়ারি বিদ্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরি বকুলের কাছে এলাকাবাসি শিক্ষক স্বল্পতার আবেদন করলে তিনি কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন। অবশেষে পরিচালনা কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য হায়দার আলী রাজু, প্রধান শিক্ষিকা সালমা বেগমসহ নেতৃবৃন্দ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের শরনাপন্ন হন। এসময় কুর্শি সালেহা খাতুন উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সজিবুল ইসলাম, জাদিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অনোয়ার হোসেন, দক্ষিণ কুর্শি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সফিকুর রহমান, মঈনপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শিরিনা আকতার, সমাজসেবি কয়েছ আহমদ ওয়াতির, সেবুল আলম প্রমূখ।
প্রধান শিক্ষিকা সালমা বেগম জানান, পড়ানোর সাথে অফিসিয়াল কাজ করে বিদ্যালয় পরিচালনা মারাত্মক ভোগান্তি হচ্ছে।
পরিচালনা কমিটির সভাপতি হায়দার আলী রাজু বলেন, শিক্ষক স্বল্পতা দূর হলে বিদ্যালয়টি ফলাফলের ক্ষেত্রে আরো সাফল্য অর্জন করবে।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মানিক চন্দ্র দাস বলেন, শীঘ্রই বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরি বকুল শীঘ্র্ই এব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।