নিজস্ব প্রতিবেদক | ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮
প্রায় সাড়ে তিনবছর বাংলাদেশ দলের কোচের দায়িত্বে থাকার পরও একবারও সিলেট না আসতে পারায় বিস্মিত হাথরুসিংহে। সিলেটে ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সৌন্দর্যেও মগ্ধি তিনি।
লঙ্কান কোচ হয়ে শনিবার প্রথমবারের মতো সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এসে হাথরু বলেন, এটা দারুণ গ্রাউন্ড। আমি বেশ হতবাক যে এখানে গত সাড়ে তিন বছরে আমি আসিনি।
২০১৪ থেকে ২০১৭সাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে তিন বছর বাংলাদেশের দায়িত্ব পালন করেছেন হাথুরুসিংহে। ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দিয়ে আন্তর্জাতিক আঙিনায় যাত্রা শুরু হয় সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের। হাথুরুসিহের বাংলাদেশের কোচ হয়ে এসেছিলেন এরপর। তবে তার সময়কালে এই মাঠে কোনো ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ।
চা বাগান আর পাহাড়ের কোল ঘেষে অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য আর নান্দনিক স্থাপত্যের এই স্টেডিয়ামকে শনিবারই প্রথম দেখলেন হাথুরুসিংহে। ম্যাচের আগের দিন তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল উইকেট সম্পর্কে। তিনি বেশি বললেন মাঠের সৌন্দর্য্য নিয়ে।
তবে উইকেট নিয়ে এখনো সন্ধিহান এই লঙ্কান কোচ। বলেন- 'উইকেট এখনো শতভাগ প্রস্তুত নয়। আমরা কাল আবার আসব এবং দেখব কেমন হয়। এখন আমি কিছু বলতে পারছি না। এটা দারুণ গ্রাউন্ড আমি বেশ হতবাক যে এখানে গত সাড়ে তিন বছরে আমি আসিনি।
সিলেট নগরের লাক্কাতুরা চা-বাগান এলাকায় সিলেট ক্রিকেট স্টেডিয়ামের অবস্থান। যেটি বিভাগীয় স্টেডিয়াম নামে অধিক পরিচিত। ৬১৫ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৪৮৫ ফুট প্রস্থের স্টেডিয়ামটি ২০০৭ সালে নির্মিত হয়। ২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মাঠ হিসেবে এই স্টেডিয়ামকেও নির্বাচন করে বিসিবি। এরপর থেকে এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যুর স্বীকৃতি পায়। চা-বাগান আর টিলাবেষ্টিত নৈসর্গিক এসৗন্দর্যের স্টেডিয়ামে রয়েছে গ্রিন গ্যালারি।