Sylhet Today 24 PRINT

সাংবাদিক নির্যাতনের অভিযোগপত্রের নারাজি শুনানি ২৫ ফেব্রুয়ারি

নিজস্ব প্রতিবেদক |  ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮

সিলেটের আদালত প্রাঙ্গণে দুই সাংবাদিককে নির্যাতনের ঘটনায় দাখিল হওয়া অভিযোগ পত্রের বিরুদ্ধে নারাজি দাখিল করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সিলেটের মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে এই নারাজি আবেদনটি দাখিল করা হলে আগামী ২৫ জানুয়ারি নারাজিটি শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেন আদালতে বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো।  

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের উপ পরিদর্শক হাদিউল ইসলাম বাদি-সাক্ষীর সাথে আলোচনা না করেই আদালতে অভিযোগপত্রটি ( ৫০/১৮) দাখিল করেন।

দাখিল হওয়া ওই অভিযোগপত্রে মামলাটির প্রধান আসামি লিয়াকত আলীসহ তার তিন সহযোগীকে বাদ দেয়া হয়। অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০ ফেব্রুয়ারি চার্জশীটের শুনানির দিন ধার্য্য করেন আদালত।

বাদিপক্ষের আইনজীবী মনির উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, আজ (২০ ফেব্রুয়ারি) অভিযোগপত্রের শুনানির পূর্ব নির্ধারিত তারিখ থাকলেও সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ‘কেস ডায়রি’ আদালতে হাজির না করায় আদালত আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি শুনানির পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

পুলিশের দাখিল করা অভিযোগপত্র থেকে বাদ পড়া ৪জন হলেন- জৈন্তাপুরের মল্লিফৌদ গ্রামের ওয়াজিদ আলী টেনাইয়ের পুত্র লিয়াকত আলী, নয়াখেল গ্রামের মতিউর রহমানের পুত্র ফয়েজ আহমদ বাবর, আদর্শ গ্রামের জালাল মিয়ার পুত্র শামীম আহমদ ও খারুবিল গ্রামের আলী আহমদের পুত্র মো. হোসাইন আহমদ।

অভিযোগপত্রে অভিযুক্তরা হলেন, জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামের খাতির আলীর পুত্র নজরুল ইসলাম, হরিপুর গ্রামের লাল মিয়ার পুত্র জুয়েল আরমান, চাল্লাইন গ্রামের সাইফ উদ্দিনের পুত্র নুরুদ্দিন মড়া, ঘাটেরছটি গ্রামের লুৎফুর রহমান কালার পুত্র এম জেড জাহাঙ্গীর, শফিকুর রহমানের পুত্র তোফায়েল আহমদ, আলু বাগান গ্রামের মোস্তফা মিয়ার পুত্র সৈয়দ রাজু, বাউরবাগ মল্লিফৌদ গ্রামের মোহাম্মদ আলী মড়ার পুত্র ফারুক আহমদ, হাটিরগাঁও গ্রামের হোসেন মিয়ার পুত্র শাব্বির আহমদ, আদর্শ গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র মনির মিয়া, লক্ষীপুর পূর্ব গ্রামের মনির মিয়ার পুত্র তাজ উদ্দিন, সরুফৌদ গ্রামের সিদ্দিক আলীর পুত্র হোসেন আহমদ উরফে টাটা হোসেন, সরুখেল পশ্চিম গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র সুলতান আহমেদ ও বাউরবাগ গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র নুরুল ইসলাম। জব্দ করা ভিডিও ফুটেজ দেখে এই ১৩ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

তবে মামলার এজাহার নামীয় আসামি এবং সিসিটিভি ফুটেজ দেখে হামলাকারী হিসেবে যাদের সনাক্ত করা হয় তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কার্যত কোন ভূমিকা রাখছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.