জগন্নাথপুর প্রতিনিধি | ০৬ মার্চ, ২০১৮
সুনামগঞ্জে জগন্নাথপুর উপজেলার সর্ববৃহৎ নলুয়া হাওরসহ বিভিন্ন হাওরের বেড়িবাঁধের কাজে অনিয়ম ও গাফিলতির কারণে ১৮ পিআইসিকে (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।
সোমবার (৫ মার্চ) বিকেলে জগন্নাথপুরের ইউএনও অফিস সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
ইউএনও অফিস সূত্র থেকে জানা যায়, উপজেলার নলুয়া হাওরসহ জগন্নাথপুরের বিভিন্ন হাওরে বেড়িবাঁধের কাজে দায়িত্বরত ১৮টি পিআইসি'র বাঁধের কাজে ত্রুটি থাকায় তাদেরকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেওয়া হয়েছে ৩ মার্চ।
যেসব পিআইসিকে নোটিশ প্রদান করা হয়েছে তারা হলেন, নলুয়া হাওরের হালেয়া পতিত নামক বাঁধের ১৯নং পিআইসি’র আবদুল হাসিম, ২৬নং পিআইসি’র জাবেদ আহমদ, ২নং পিআইসি’র যুবরাজ মিয়া, ৩নং পিআইসি’র ইকবাল হোসেন, ৫নং পিআইসি’র সেলিম মিয়া, ৩৪নং পিআইসি’র মুকিত মিয়া, ৩৭নং পিআইসি’র আবদুল তাহিদ জুয়েল, ১৪নং পিআইসি’র রনধীর কান্ত দাস, ১৫নং পিআইসি’র শংকর দাস, ২১নং পিআইসি’র রুবেল মিয়া, ২৭নং পিআইসি’র সুব্রত দাস, সুরাইয়া বিবিয়ানা হাওরের ১১৫নং পিআইসি’র নাজমুল হক, ১০১নং পিআইসি’র বজলু মিয়া, কুশিয়ারা নদীর ডান তীরের ১৭নং পিআইসি’র দুরুদ মিয়া, ৩০নং পিআইসি’র মুখলিছ মিয়া, ৭০নং পিআইসি’র শওকত মিয়া, টাংঙ্গুয়া হাওরের ৩২নং পিআইসি’র আবদুল মজিদ ও ৩১নং পিআইসি’র সানু মিয়া।
জগন্নাথপুরের ইউএনও মোহাম্মদ মাসুম বিল্লাহ বলেন, বেড়িবাঁধের কাজে ত্রুটি থাকায় ১৮ জনকে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বাঁধের কাজে যারা অনিয়ম দুর্নীতি করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, জগন্নাথপুর উপজেলায় এবার বোরো ফসল রক্ষায় ৯২টি পিআইসি (প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি) গঠন করা হয়েছে। এর মধ্যে উন্নয়ন খাত (এডিপি) থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে চার কোটি ছয় লাখ ২৫ হাজার টাকা, কাবিটা (অনুন্নয়ন খাত) থেকে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ ২৯ হাজার টাকা। ১৫ ডিসেম্বর কাজ শুরু করে ২৮ ফেব্রুয়ারি কাজ শেষ করার কথা থাকলেও প্রাক্কলন তৈরি করে কার্যাদেশ প্রদানে বিলম্ব হওয়ার কারণে যথাসময়ে বেড়িবাঁধগুলোর কাজ শেষ হয়নি।