হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৬ জুন, ২০১৫
হবিগঞ্জের সকল উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হলেও ভোট কারচুপির অভিযোগে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। পুনরায় ভোট গ্রহণের দাবিতে ভোটাররা নির্বাচন কমিশনার ও প্রিজাইডিং অফিসারকে বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ করে রাখেন।
গতকাল সোমবার হবিগঞ্জের ৮ উপজেলা পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৯টা থেকে ২টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। হবিগঞ্জ সদর ছাড়া ৭টি উপজেলায় নির্বাচনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করেছেন নির্বাচন কমিশন। তন্মধ্যে লাখাইর একটি আসনে দুই প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় তাৎক্ষণিক ওই আসনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়নি।
৭ উপজেলায় বেসরকারিভাবে নির্বাচিতরা হলেন- বাহুবলে মোছাঃ জ্যোৎস্না বেগম ও ফুলমা রাণী দেব; আজমিরীগঞ্জে শিখা রাণী সূত্রধর ও মোছাঃ রাজিয়া সুলতানা; বানিয়াচঙ্গে মোছাঃ আম্বিয়া বেগম, মোছাঃ রুনা আক্তার, রাহেলা হক, মোছাঃ ইনারা খাতুন ও মোছাঃ আছমা বেগম; চুনারুঘাটে সালেহা বেগম, ফেরদৌস বকুল, শামছুন্নাহার ও মোছাঃ লায়লা নূর; মাধবপুরে ফরিদা খাতুন, মোছাঃ ইসরাত জাহান ডলি, মোছাঃ শাহানা বেগম ও আকলিমা আক্তার; নবীগঞ্জে মোছাঃ সাজনা বেগম, মোছাঃ রাজিয়া বেগম, জাকিয়া আক্তার লাকী, মোছাঃ মরিয়ম বেগম ও মায়ারুন আক্তার এবং লাখাই উপজেলার ১নং আসনে মোছাঃ সুফিয়া বেগম।
লাখাই-২ নং আসনে দুইজন প্রার্থী সমান সংখ্যক ভোট পাওয়ায় ওই আসনের ফলাফল তাৎক্ষণিক ঘোষণা করা হয়নি। এছাড়া হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চারটি আসনের মধ্যে দু’টি আসনে একাধিক প্রার্থী না থাকায় মাকমুদা খাতুন ও রিনা রানী সূত্রধর এবং নবীগঞ্জ উপজেলার মোছাঃ সাজনা বেগম ও মরিয়ম বেগম বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।
হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩৬ ভোটারের সকলেই ভোটদান করেন। ৩৬নং ভোটার ফুলবানু ভোট দিতে গিয়ে দুইটি ব্যালট পেপার কাস্ট করেন। এতে সমস্যা দেখা দেয়। পরে প্রিজাইডিং অফিসার ভোট স্থগিত করে দেন। অধিকাংশ ভোটার ও প্রার্থীরা ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেন। পরে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ভোট স্থগিত করা হয়। এ পরিস্থিতিতে নির্বাচন অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ভোটাররা। পরে তারা জেলা নির্বাচন অফিস ঘেরাও করেন।