নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৬ মার্চ, ২০১৮
প্রবাসী লেখক সাংবাদিক ইব্রাহীম চৌধুরীর ‘স্মৃতিতে ও সংবাদে’ গ্রন্থ প্রকাশ উপলক্ষে এক সুহৃদ আড্ডা সিলেট নজরুল একাডেমির সভাকক্ষে শনিবার রাতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক লোকমান আহমদের সভাপতিত্বে এবং সাংবাদিক অপূর্ব শর্মার পরিচালনায় সুহৃদ আড্ডায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাম্যবাদী দলের পলিটব্যুরো মেম্বার ধীরেন সিংহ, স্কলার্স হোম এর অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জুবায়ের সিদ্দিকী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিম, সিলেট স্টেশন ক্লাবের সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন, সিলেট প্রেসক্লাবের সভাপতি ইকরামুল কবির ইকু, সিলেটের দিনরাত পত্রিকার প্রধান সম্পাদক আল-আজাদ, সিলেট চেম্বার অব কমার্সের প্রেসিডেন্ট খন্দকার শিপার আহমদ, ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিকান্দার আলী, ব্লাস্ট সিলেট জেলা সমন্বয়ক ইরফানুজ্জামান, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কামকামুর রাজ্জাক রুনু, রাজনীতিক শামীম সিদ্দিকী, কেয়ার বাংলাদেশের টিম লিডার শেখর ভট্টাচার্য, সিলেট ডায়াবেটিক সমিতির কোষাধ্যক্ষ এমএ মান্নান, উন্নয়ন সংগঠক আরজুমান্দ আলী, লেখক সেলিম সৈয়দ, দৈনিক উত্তরপূর্বের প্রধান বার্তা সম্পাদক মুক্তাদির আহমেদ মুক্তা, সাংবাদিক হাসিনা বেগম চৌধুরী, সাংবাদিক ছামির মাহমুদ, সংগঠক আহমেদ বকুল প্রমুখ।
উদ্যোক্তাদের অন্যতম আবদুল করিম কিমের সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া আড্ডা প্রাণবন্ত হয়ে উঠে লেখকের জীবনঘনিষ্ঠদের নান্দনিক কথায়। তারা ইব্রাহীম চৌধুরীর রাজনৈতিক সামাজিক, সাংগঠনিক, সাংবাদিকতা, লেখালেখি এবং তার আইন-পেশার সাথে সম্পৃক্ততা নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
বক্তারা ইব্রাহীম চৌধুরীকে অনন্য ব্যক্তিত্ব আখ্যায়িত করে বলেন, তিনি করেননি এমন কাজ খুবই কম আছে। যে কাজেই তিনি আত্মনিয়োগ করছেন- সেখানেই সফল হয়েছেন। ছড়িয়েছেন নান্দনিকতার বিভা। যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারতেন তিনি। কর্মবীর শব্দটি অনায়াসেই তার নামের সঙ্গে অনায়াসেই যুক্ত করা যায়। আতিথেয়তায়, বন্ধুত্বে, পরামর্শে, সাহচর্যে তার মতো মানুষের সংখ্যা আমাদের সমাজে একেবারেই হাতেগোনা। আজ আমেরিকায় অবস্থান করলেও সুহৃদ আড্ডায় বিপুল সংখ্যক সুধীজনের উপস্থিতি প্রমাণ করে অবস্থানগত দূরত্ব থাকলেও তিনি আমাদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হননি। সিলেটের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মার যে সুনিবিড় বন্ধন তা অটুট আছে আজো। সেটাই তিনি তুলে ধরেছেন, ‘সংবাদে ও স্মৃতিতে’ গ্রন্থে।
নব্বইয়ের গণআন্দোলন থেকে শুরু করে সমাজ-সংস্কৃতি ও প্রখ্যাতজনের কথা যেমন উঠে এসেছে তার গ্রন্থে তেমনই তিনি তুলে ধরেছেন আমেরিকার রাজনৈতিক বিবর্তনের অভ্যন্তরীণ কতকথা। যা পাঠকদের নতুন তথ্যের সাথে পরিচিতি করে তুলবে। বক্তারা গ্রন্থ ও লেখকের সাফল্য কামনা করে বলেন, আগামীতেও লেখনীর মাধ্যমে তিনি স্বদেশ প্রবাসের সখ্যতাকে সুনিবিড় করতে ভূমিকা রাখবেন। প্রবাসে বাংলার মুখ হয়ে আলো ছড়াবেন তিনি।