নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৭ মার্চ, ২০১৮
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক সংস্কারে দুর্নীতির অভিযোগে সিলেটে সড়ক ও জনপথের (সওজ) আট প্রকৌশলী ও এক ঠিকাদারের বিরুদ্ধে দু'টি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) সিলেট কোতোয়ালী থানায় দুদকের দুজন কর্মকর্তা বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে মামলা দু'টি (নং ৫৫ ও ৫৬) দায়ের করেন বলে জানান সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌছুল আলম।
ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গৌছুল আলম আরো জানান সোমবার বিকালে দুদক মামলার এজাহার জমা দেয়। মঙ্গলবার মামলা দুটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি জানান, মামলার আসামীরা হলেন- মোহাম্মদ রাসেল, প্রাক্তন উপ-সহকারী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ সিলেট; তানভীর হোসেন, সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, বিশ্বনাথ সড়ক বিভাগ, সিলেট; শেখ মনিরুল ইসলাম, সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ সিলেট; চন্দন কুমার বসাক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সড়ক সার্কেল সিলেট; ইফতেখারুল কবির, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, সড়ক বিভাগ সিলেট; ঠিকাদার লুৎফুর রহমান, ঠিকাদার, জন্মভূমি নির্মাতা ও অর্গানাইজার, সিলেট এর সত্ত্বাধিকারী।
মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার প্রকল্পে ২৯ নভেম্বর ২০১৫ হতে ২৫ মে ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশে ৬২ লক্ষ ৬১ হাজার ২৬০ টাকার অসম্পাদিত কাজকে সম্পাদিত দেখিয়ে টাকাগুলো আত্মসাৎ করেন আসামীরা। দুদকের সরেজমিন তদন্তে তা বেরিয়ে এসেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।
এবং অপর আরেকটি মামলা (নং ৫৬) দায়ের করেন দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমদ পাটোয়ারি।
এই মামলার আসামীরা হলেন- সড়ক উপ-বিভাগ সিলেটের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম আহমেদ, সাবেক উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল বরকত মো. খুরশীদ আলম, সাবেক উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তানভীর আহমদ, সিলেট সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মনিরুল ইসলাম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী চন্দন কুমার বসাক, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইফতেখার কবির ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জন্মভূমি নির্মাতার কর্ণধার লুৎফুর রহমান।
এই মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার প্রকল্পে ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫ হতে ২৫ মে ২০১৬ পর্যন্ত জালিয়াতির মাধ্যমে ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রকৌশলী ও ঠিকাদারের যোগসাজশে এক কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ টাকার অসম্পাদিত কাজকে সম্পাদিত দেখিয়ে টাকাগুলো আত্মসাৎ করেন আসামীরা। দুদকের সরেজমিন তদন্তে তা বেরিয়ে এসেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়।