সিলেটটুডে ডেস্ক | ২৪ এপ্রিল, ২০১৮
''বাঁচতে যদি চাও রক্ষা করো নদী, নদী আমার মা নদীকে দখল-দুষণ করা যাবেনা" এ স্লোগানকে সামনে রেখে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শাখা বরাক নদী দখল ও দূষণ মুক্ত করার দাবিতে নাগরিকবন্ধন পালন করা হয়েছে ।
মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে নবীগঞ্জ নতুন বাজার ট্রাফিক মোড়ে এ নাগরিকবন্ধনের আয়োজন করে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখা, সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার, খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার।
পরিবেশকর্মী উজ্জল দাশের সঞ্চালনায় ও বাপা হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহসভাপতি তাহমিনা বেগম গিনির সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন(বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখা সাধারণ সম্পাদক ও খোয়াই রিভার ওয়াটারকিপার তোফাজ্জল সোহেল ।
অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও সুরমা রিভার ওয়াটারকিপার আব্দুল করিম কিম, সিলেট ইলেকট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েসন (ইমজা) সভাপতি আশরাফুল কবির , বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম সম্পাদক সাংবাদিক ছামির মাহমুদ, বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদের আহবায়ক ফজল খাঁন, নবীগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক ডা. শাহ আবুল খায়ের, বেনু চক্রবর্তী, ডা. তাপস আচার্য্য, দিনারপুর কলেজের অধ্যক্ষ তনুজ রায়।
বক্তব্য রাখেন, অ্যাডভোকেট রাজিব কুমার দে তাপস, প্রনব দেব, চিত্রশিল্পী আসাদ ইকবাল সুমন, সাইফুর রহমান খাঁন, ইকবাল আহমেদ বেলাল, ওহি দেওয়ান চৌধুরী, কান বনিক, নীলকন্ঠ দাশ সামন্ত (নন্টি), দিপংকর ভট্টাচার্য দেবুল, আনন্দ নিকেতনের সভাপতি জিবেশ গোপ, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহেদুর রহমান, মাজারুল ইসলাম তারেক, শাহ তারেক আমিন, সুকান্ত দাশ,যুব দাশ, দবিরুল ইসলাম দবির, হিমাদ্রী দাশ, রাজন দাশ, সাংবাদিক জাকিরুল ইসলাম, নাবিদ মিয়া প্রমুখ।
নাগরিকবন্ধনে বক্তারা বলেন, ভারত থেকে নেমে আসা বরাক নদীর একটি শাখা হচ্ছে শাখা বরাক নদী। এটি এঅঞ্চলের একটি ঐতিহ্যবাহী নদী ছিল, কিন্তু সময়ের ব্যবধানে নদীটির নব্যতা হারিয়ে গেছে প্রভাবশালীদের দখল-দুষণে। শাখা বরাকের তীরগুলো দখল করে নিচ্ছে প্রভাবশালী কুচক্রী মহল।
বক্তারা বলেন, পৌরসভার ময়লা আবর্জনা নদীতে ফেলা হয় তা শুনে আমরা অবাক হয়েছি। একটি রাষ্ট্রশাসিত প্রতিষ্ঠান কিভাবে ময়লা আবর্জনা ফেলে নদীটিকে মেরে ফেলছে তাদের দায়িত্ববোধ দেখে আমরা হতাশ। নদীটির ম্যাপ অনুযায়ী শাখা বরাক নদীর যৌবন ও জৌলুশ ফিরিয়ে আনতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করেন এবং নদী দখল ও দূষণ মুক্ত করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন।