Sylhet Today 24 PRINT

আজ থেকে শুরু হচ্ছে আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা

সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদক  |  ১০ জুলাই, ২০১৮

সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ হবে আজ মঙ্গলবার (১০ জুলাই)। আজ থেকে শুরু হচ্ছে এ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার প্রচারণা।

আচরণবিধি লঙ্ঘন করে বেশীরভাগ প্রার্থী আগেই প্রচারণা শুরু করে দিলেও আজ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করবেন তাঁরা।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, এবারের সিসিক নির্বাচনে ৭ মেয়র প্রার্থী ও ২৭টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে মোট ১২৭ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৬২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

সিসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আলীমুজ্জামান জানান, আজ সকাল ১০টা থেকে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্ধ শুরু হবে। প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় নামতে পারবেন প্রার্থীরা।

ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ও বিএনপির প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীসহ সব মেয়র প্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা তাদের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয় প্রস্তুত করে রেখেছেন। আজ বিকেলেই সেগুলো উদ্বোধন করা হবে।

নির্বাচন আইন অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ শুরুর ৩২ ঘণ্টা পূর্বে প্রচার কাজ বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ভোটগ্রহণ শুরু হবে আগামী ৩০ জুলাই সকাল ৮টায়। সে অনুযায়ী ১০ জুলাই থেকে থেকে ২৮ জুলাই মধ্যরাত পর্যন্ত প্রচার কাজ চালাতে পারবেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা।

ইসির ওই নির্দেশনায় বলা হয়, সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন বিধিমালার বিধি ৫ অনুসারে-প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো রাজনৈতিক দল, অন্য কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা কোনো নির্বাচনী প্রচারণ শুরু করতে পারবে না। এই বিধি সকল প্রার্থী ও তার সমর্থকদের মেনে চলতে হবে।

নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী বিধিমালার কোনো বিধান অমান্য করলে, তিনি নির্বাচিত হবার পরও তার প্রার্থিতা বাতিল করতে পারে নির্বাচন কমিশন। নির্দিষ্ট সময়ের আগে প্রচারণায় নিষেধাজ্ঞা ছাড়াও যে কোনো প্রকার মিছিল বা শোডাউন করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশনাও দিয়েছে ইসি।

এদিকে প্রচার কাজের জন্য প্রতিটি ওয়ার্ডে কেবল একটি মাত্র শব্দবর্ধনকারী যন্ত্র বা মাইক ব্যবহার করার জন্য প্রার্থীদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে। এজন্য সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। আর পথসভা বা ঘরোয়া সভার জন্য অন্তত ২৪ ঘণ্টা আগে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হবে। কোনো প্রার্থী অন্য প্রার্থীর বিরুদ্ধে সম্মানহানিকর তথা চরিত্রহনন করে বা কোনো ধরনের তিক্ত বা উস্কানিমূলক কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে এমন বক্তব্য দিতে পারবেন না।

নির্বাচনী প্রচারকাজে কেবলমাত্র দলীয় প্রধান হেলিকপ্টার ব্যবহার করতে পারবেন। তবে দলীয় প্রধান যদি সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ তথা, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা সংসদ সদস্য হন, তবে তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় যেতে পারবেন না।
 
রিটার্নিং কর্মকর্তাদের এই সব নির্দেশনা প্রার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করে অথবা যথাযথভাবে প্রচার করে অবহিতও করতে বলেছে নির্বাচন কমিশন।

আগামী ৩০ জুলাই সিলেটসহ রাজশাহী ও বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

টুডে মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
✉ sylhettoday24@gmail.com ☎ ৮৮ ০১৭ ১৪৩৪ ৯৩৯৩
৭/ডি-১ (৭ম তলা), ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি,
জিন্দাবাজার, সিলেট - ৩১০০, বাংলাদেশ।
Developed By - IT Lab Solutions Ltd.