নিজস্ব প্রতিবেদক | ২৯ জুলাই, ২০১৮
সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৭টি ওয়ার্ডের ১৩৪টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহন অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যেই প্রায় সবকটি কেন্দ্রেই পৌঁছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে র্যাব, পুলিশ, বিজিবি। সেই সাথে নির্বাচনে মাঠে থাকবে মোবাইল কোর্ট, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট।
এবারের সিসিক নির্বাচনে ৬ জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১২৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৬৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সিসিক এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লক্ষ ২১ হাজার ৭৩২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৪৪৪ জন এবং নারী ভোটার ১ লক্ষ ৫০ হাজার ২৮৮ জন।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। ১৩৪টি কেন্দ্রের মধ্যে ২টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করা হবে।
সিসিকের ২৭টি ওয়ার্ডের কেন্দ্রে গুলো হচ্ছে-
১ নং ওয়ার্ড:
চৌহাট্টা আলিয়া মাদ্রাসা, দরগা জালালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। আলিয়া মাদ্রাসার উত্তর ও পূর্বপাশের ভবনের ৩টি কেন্দ্রের দুটিতে পুরুষ ও অন্যটিতে নারীরা ভোট দেবেন। এছাড়াও দরগা জালালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রয়েছে একটি পুরুষ ও নারী কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৮হাজার ৮৮১ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৯ জন।
২নং ওয়ার্ড:
মদন মোহন কলেজ নতুন ভবনের কেন্দ্রে পুরুষ ও পুরাতন ভবনে নারীরা ভোট দিবেন। এছাড়াও দাড়িয়াপাড়ায় রসময় হাইস্কুলে রয়েছে পুরুষ ও নারী ভোট কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ৭৫৪ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৩ জন।
৩নং ওয়ার্ড:
মীরের ময়দানে ব্লু-বার্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজে, পুরাতন ভবনে পৃথক দুটি কেন্দ্র এবং পুলিশ লাইন উচ্চ বিদ্যালয়ের উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব ও পশ্চিম পাশের ভবন মিলিয়ে ৩টি কেন্দ্র ভোটাররা ভোট দেবেন।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯০৫জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
৪নং ওয়ার্ড:
হাউজিং এস্টেটের আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবন নং ৩ ও ৫ এর দুটি কেন্দ্র এবং আম্বরখানা সরকারি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশের ভবনে দুটি কেন্দ্র। এছাড়াও আম্বরখানা গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও আম্বরখানা সরকারি কলোনি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৮ হাজার ৭৭৮জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
৫নং ওয়ার্ড:
খাসদবীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর ও দক্ষিণ পাশের ভবনে দুটি কেন্দ্র ও ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোডে স্কলার্স হোম প্রিপারেটরি স্কুল, খাসদবীরে জামেয়া মাদিনাতুল উলুম দারুস সালামের প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় দুটি কেন্দ্র, হাজারীবাগে এভারগ্রিন একাডেমি এবং গ্রিন ফেয়ার কিন্ডার গার্ডেন।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫হাজার ১৯জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
৬নং ওয়ার্ড:
চৌকিদেখীর বিলাস কমিউনিটি সেন্টার, শাহপরান (রহ.) প্রি-ক্যাডেট একাডেমি এবং আনোয়ার মতিন একাডেমি (দুটি কেন্দ্র)।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৪৪১জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
৭নং ওয়ার্ড:
সুবিদবাজারে প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) নতুনভবন, পিটিআই-এর একাডেমিক ভবনে দুটি কেন্দ্র, হলি সিটি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জালালাবাদ আবাসিক এলাকায় আবদুল গফুর ইসলামী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে দুটি কেন্দ্র, পশ্চিম পীরমহল্লায় গৌছ উদ্দিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং গৌছুল উলুম জামেয়া ইসলামিয়া।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ৫৭৩জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২ জন।
৮নং ওয়ার্ড:
পাঠানটুলায় শাহজালাল জামেয়া ইসলামিয়া কামিল মাদরাসায় ৩টি কেন্দ্র, নোয়াপাড়ায় সিটি মডেল স্কুল, ব্রাহ্মণশাসনে বীরেশ চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং তারাপুরে মদন মোহন কলেজ কমার্স ফ্যাকাল্টিতে দুটি কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার ১৯০জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
৯নং ওয়ার্ড:
পাঠানটুলা দ্বি-পাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র, বাগবাড়িতে এতিম স্কুলের দুটি কেন্দ্র, বাগবাড়িতে বর্ণমালা সিটি একাডেমি, বিদ্যারণ্য স্কুল ও মহিলা কলেজ এবং সুবিদবাজারে আনন্দ নিকেতন।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৯২ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
১০নং ওয়ার্ড:
ঘাসিটুলার জালালাবাদ স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঘাসিটুলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং মঈন উদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে দুটি কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ হাজার ৮৬৮জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
১১নং ওয়ার্ড:
মধুশহীদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, ভাতালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং লামাবাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ হাজার ১০জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
১২নং ওয়ার্ড:
শেখঘাটের মঈনুন্নেসা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, শেখঘাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শেখঘাটে সরকারি বাকশ্রবণপ্রতিবন্ধী বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৮৭৭জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
১৩নং ওয়ার্ড:
জামিয়া ইসলামিয়া মাদানিয়া কাজিরবাজার মাদ্রাসা, মির্জাজাঙ্গাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং চাঁদনীঘাটের সারদা স্মৃতিভবন।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৫১৯জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫ জন।
১৪নং ওয়ার্ড:
জিন্দাবাজারে সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, কালীঘাটে সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি ও চালিবন্দরে হাকিম বশীরুল হক ছাত্রাবাস।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ১৫৮ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫ জন।
১৫নং ওয়ার্ড:
বন্দরবাজারে দুর্গা কুমার পাঠশালা, মিরাবাজারে শাহজালাল জামিয়া ইসলামিয়া স্কুল এন্ড কলেজে দুটি ও মিরাবাজারে কিশোরী মোহন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (বালক শাখা) কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৩৭৯ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
১৬নং ওয়ার্ড:
তাঁতিপাড়ায় দ্যা এইডেড হাই স্কুল এবং নয়াসড়কে কিশোরী মোহন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩টি কেন্দ্রে ভোটাররা ভোট দেবেন।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৯ হাজার ৪১৯জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৮ জন।
১৭নং ওয়ার্ড:
কাজীটুলায় কাজী জালাল উদ্দিন বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাজী জালাল উদ্দিন বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, লোহারপাড়ায় শাহীন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কাজীটুলায় দ্য রয়েল এমসি একাডেমি এবং আম্বরখানা দরগা গেট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৩ হাজার ৭৯৩জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২ জন।
১৮নং ওয়ার্ড:
মিরাবাজারের মডেল হাই স্কুল, ঝর্ণারপাড়ায় কাজী জালাল উদ্দিন বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি এবং রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৬১৯জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
১৯নং ওয়ার্ড:
শাহী ঈদগা’র শাহমীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, বখতিয়ার বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং দর্জিপাড়ায় সার্ক ইন্টারন্যাশনাল কলেজ।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৬২৬জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
২০নং ওয়ার্ড:
এমসি কলেজ, দেবপাড়ার নবীনচন্দ্র সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং সাদিপুরে সৈয়দ হাতিম আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৫৬৪জন। এই ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আজাদুর রহমান আজাদ।
২১নং ওয়ার্ড:
সাদিপুরের সৈয়দ হাতিম আলী প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালাসীলে চান্দু শাহ জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, সোনারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং শিবগঞ্জে স্কলার্স হোম প্রিপারেটরি স্কুল।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৯৩৩ জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
২২নং ওয়ার্ড:
শাহজালাল উপশহর উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, উপশহরে শাহজালাল আদর্শ বিদ্যালয়, শাহজালাল উপশহর একাডেমি এবং উপশহরে বাংলাদেশ ব্যাংক স্কুল।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ১৯৭জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৬ জন।
২৩নং ওয়ার্ড:
মাছিমপুরের আব্দুল হামিদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি এবং মেন্দিবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ৯৮৭জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
২৪নং ওয়ার্ড:
উমরশাহ তেররতন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, টুলটিকরে গাজী বুরহান উদ্দিন গরম দেওয়ান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং কুশিঘাটায় শাহগাজী সৈয়দ বুরহান উদ্দিন (রহ.) মাদ্রাসা।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৭২২জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৩ জন।
২৫নং ওয়ার্ড:
কায়স্থরাইল উচ্চ বিদ্যালয়, মেনিখোলা মৌর বিবি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কায়স্থরাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, খোজারখলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি কেন্দ্র এবং টেকনিক্যাল রোডে সিলেট টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ হাজার ৬৪৬জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।
২৬নং ওয়ার্ড:
ভার্থখোলার নছিবা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, কদমতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুটি, ঝালোপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং রেলওয়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট কেন্দ্র।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১৪ হাজার ১৪২জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৫ জন।
২৭নং ওয়ার্ড:
পাঠানপাড়ার জহির তাহির মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি, গোটাটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোটাটিকর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এবং হবিনন্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এই ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ১১১ হাজার ৮৪০জন। কাউন্সিলর পদে এই ওয়ার্ডে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ৪ জন।