নিজস্ব প্রতিবেদক | ০৪ আগস্ট, ২০১৮
নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পাল্টা হিসেবে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা সিলেট থেকে দূরপাল্লার সকল যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এ নিয়ে দ্বিতীয় দিনের মতো তারা নিররাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এতে জনদুর্ভোগ চরমে উঠেছে।
২৯ জুলাই (রোববার) ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে দুই বাসের রেষারেষিতে দুই কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর সড়কে নামে শিক্ষার্থীরা। এরপর বৃহস্পতিবার সরকার শিক্ষার্থীদের দাবি মানার ঘোষণা দিয়ে তাদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানানোর পরপরই অঘোষিত ধর্মঘট শুরু করে পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
এতে সিলেট থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জায়গায় যাত্রীরা পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে। এদিকে অঘোষিত ধর্মঘটের ফলে বাড়তি চাপ পড়ছে ট্রেনে। যাত্রীরা শেষ ভরসা হিসেবে ট্রেনকেই গন্তব্যে পৌছার শেষ বাহন হিসেবে বেছে নিয়েছেন।
পরিবহন মালিকরা বলছেন, সড়কে বাস ভাঙচুর ও চালকদের নিরাপত্তার কথা ভেবে বাস চলাচল দিনে বন্ধ রাখা হয়েছে। ছাত্ররা দিনে যতো দিন আন্দোলন করবে ততোদিন নিরাপত্তার জন্য বাস চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে রাতে বাস চলাচল করবে।
![]()
সকালে প্রিবহন শ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে সিলেট নগরীতে পরিবহন শ্রমিকরা যান চলাচলে বাধা দেয়ার ছবি বিভিন্ন স্থানে দেখা গিয়েছে। অন্যদিকে যাত্রীরা গাড়ি চলাচলে বাধা দেয়ার প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর চড়াও হন শ্রমিকরা। এ সময় কয়েকজন যাত্রীকে তারা মারধরও করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে সিলেট পরিবহন মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক বলেন, শ্রমিক ও গাড়ির নিরাপত্তার কারণে পরিবহন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে কোথাও হালকা যান চলাচলে বাধা না দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। কেউ হালকা যানবাহন চলাচলে বাধা দিলে তাদের ব্যাপারে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।