কমলগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৩ আগস্ট, ২০১৮
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পৃথক স্থানে দুটি অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১২ আগস্ট) বিকালে উপজেলার সীমান্তবর্তী ইসলামপুর ইউনিয়নের চাম্পারায় চা বাগানের কলাবন বস্তিতে রান্না ঘরের চালার সাথে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে সুশীল গড় (৩৫) ও বিকাল আনুমানিক ৪টায় রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের গৃহবধূ পপি আক্তার (২৩) কীটনাশক পান করলে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে সন্ধ্যার পর মারা যান।
চাম্পারায় চা বাগানের কলাবন বস্তির মৃত করম সিং এর ছেলে সুশীল গড়। আর রহিমপুর ইউনিয়নের বড়চেগ গ্রামের প্রবাসী আব্দুল আহাদের স্ত্রী পপি আক্তার। তাঁর বাবার বাড়ি কুলাউড়া উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নের পাইকপাড়া গ্রামে।
কমলগঞ্জ থানা সূত্রে জানা যায়, সুশীল গড়ের দেহ নিজ বসতঘরের সাথের রান্না ঘরের চালার সাথে নাইলনের রশি দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। অন্যদিকে বড়চেগ গ্রামের প্রবাসীর স্ত্রী পপি আক্তার কীটনাশক পান করলে রোববার বিকালে তাকে প্রথমে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যাবার পথে সে মারা যায়। রোববার রাতেই দুটি মরদেহ কমলগঞ্জ থানায় নিয়ে আসা হলে সোমবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়।
কলাবন বস্তিতে সুশীল গড়ের মৃত্যুর কারণ জানা যায়নি। তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বড়চেগ গ্রাম সূত্রে জানা যায়, গৃহবধূ পপি আক্তার মুঠোফোনে প্রবাসে স্বামীর সাথে কথা বলার পরই কীটনাশক পান করেছেন।
কমলগঞ্জ থানার ওসি মো. মোকতাদির হোসেন পিপিএম গলায় ফাঁস দিয়ে ও কীটনাশক পান করে দুইজনের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় পৃথক দুটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের হয়েছে।