সিলেটটুডে ডেস্ক | ১৮ আগস্ট, ২০১৮
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেমন হত্যা চেষ্টাকারী সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবীতে ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলা কমিটির উদ্যোগে সন্ত্রাস বিরোধী দিবস উপলক্ষে ১৭ আগস্ট শুক্রবার বিকেলে বিক্ষোভ মিছিল শেষে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ওয়ার্কার্স পার্টি সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি আবুল হোসেন এর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য দীনবন্ধু দাসের পরিচালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সদস্য সিকান্দর আলী।
বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন নারী মুক্তি সংসদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট জেলা সভানেত্রী ইন্দ্রাণী সেন সম্পা, যুব মৈত্রী কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিমাংশু মিত্র, জেলা সভাপতি শামীম মজুমদার, মহানগর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ খোকন, জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী আনোয়ার হোসেন, ছাত্র মৈত্রীর কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ও সিলেট জেলা সভাপতি স্বপন দাস, জেলা সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রানা চৌধুরী, রাজনৈতিক শিক্ষা ও গবেষণ বিষয়ক সম্পাদক সালেহ আহমদ, সহ সাধারণ সম্পাদক সারথী উরাং, স্কুল বিষয়ক সম্পাদক নুরুল আহমদ, জেলা সদস্য মারজান আহমদ, আলমগীর হোসেন, অপূর্ব সূত্র ধর, সিদ্দিকুর রহমান বিলাল, তারিকুর রতমান, শ্রমিকনেতা মবশ্বির আলী, মহিতুষ চৌধুরী প্রসাদ, নারীনেত্রী আকলিমা বেগম, আলো মনি প্রমুখ।
সমাবেশে সিকান্দর আলী বলেন, মেহনতি শ্রমজীবী মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াকু সৈনিক, এদেশের সকল প্রগতিশীল আন্দোলনের রাজপথ কাঁপানো আপোষহীন সংগ্রামী জননেতা কমরেড রাশেদ খান মেননকে হত্যার উদ্দেশ্যে তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট অতর্কিত ভাবে তার উপর গুলি চালায়। এদেশের প্রগতিশীল আন্দোলনকে রুখে দিতে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচাল করতেই ১৯৯২ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপি-জামায়াত চক্র এ ধরনের ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। তাদের অব্যাহত আক্রমণে তারা শুধু কমরেড রাশেদ খান মেননকেই হত্যার চেষ্টা করেনি তারা বহু নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে।
রাশেদ খান মেনন সকলের দোয়া ও আশীর্বাদে মৃত্যুর সাথে লড়াই করে মৃত্যুঞ্জয়ী হয়ে জনগণের মধ্যে ফিরে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, প্রগতিশীল ধারাকে অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে মোকাবেলা করতে হবে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, এদেশের গ্রগতিশীল আন্দোলনকে রুখে দিতে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র যুব সমাজকে বিভ্রান্ত করে জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করছে। স্বাধীনতা বিরোধীরা যাতে এই নীল নকশা বাস্তবায়ন করতে না পারে সে ব্যাপারে সরকারকে আরো সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। সাথে সাথে বেকার যুবকদের চাকুরী দিতে হবে, কর্মক্ষম শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্র তৈরি করে দিতে হবে। হামলাকারী চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় এনে শাস্তির দাবী করা হয়।