সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি | ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় স্থানীয় সাংবাদিকদের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে এক কিশোরী।
শুক্রবার (৭ সেপ্টেম্বর) ধর্মপাশার বংশিকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের এক কিশোরীর সঙ্গে একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী গ্রামের এক যুবকের (২৬) শুক্রবার বিয়ের দিন ধার্য ছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বরপক্ষের লোকজনদের স্বাগত জানাতে কনের বাড়িতে সামনে গেইট নির্মাণসহ বাড়ির উঠানে আমন্ত্রিত অতিথিদের আপ্যায়নের জন্য সামিয়ানা টানানো হয়। স্থানীয় এক তরুণের মাধ্যমে স্থানীয় সাংবাদিকরা এই বাল্যবিবাহের খবর জানতে পেরে ওই কিশোরীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে স্থানীয় সাংবাদিকরা সেখানে যান।
বেলা সোয়া তিনটার দিকে তাঁরা ওই কিশোরী বাড়িতে গিয়ে উপস্থিত হন এবং বাল্যবিবাহের সত্যতা পান। পরে বাল্যবিবাহের কুফল ও রাষ্ট্রীয় আইনে বাল্যবিবাহের কোনো স্বীকৃতি নেই এমনটি বুঝিয়ে বলার পর ওই কিশোরীর বড় ভাই এই বিয়ে বন্ধ করতে সম্মত হন। এ সময় ওই কিশোরীর ভাই তার বোনের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত কোথাও তাকে বিয়ে দেবেন না বলে লিখিতভাবে অঙ্গীকার করেন।
তবে কিশোরীর বাড়িতে সাংবাদিকের উপস্থিতি টের পেয়ে বর ও বরযাত্রীর লোকজন সেখানে আর আসেননি।
বংশিকুন্ডা উত্তর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের সদস্য বুরহান আলী শাদু বলেন, সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার কারণেই ১৭ বছরের কিশোরী বাল্যবিবাহের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।